ঢাকা মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

জলেভাসা জমিতে উচ্চফলনশীল ধান ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি


নুরুল আলম photo নুরুল আলম
প্রকাশিত: ২৭-১০-২০২৩ দুপুর ৩:৪৩

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের জলেভাসা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে উচ্চফলনশীল জাতের ব্রিধান ৮১ ও ৯২। স্থানীয়রা এক সময় হাইব্রিড ধান রোপন করলেও যথা সময়ে ফসল ঘরে তুলতে পারতো না। বর্ষা মৌসুমে হ্রদের পানি বেড়ে গেলে এসব ফসল তলিয়ে যেতো। তাই কম খরচ এবং সুযোগ সুবিধা বেশি থাকায় উচ্চফলনশীল জাত ব্রিধান ৮১ ও ৯২-এ আশার আলো বুনছেন কৃষকরা। যথা সময়ে ফসল ঘরে তুলতে পেরে বেজায় খুশি তারা ।

কাপ্তাই হ্রদে সাড়ে পাঁচহাজার হেক্টর জলেভাসা জমি আছে। এসব জমির কিছু অংশে কৃষকরা চাষ করলেও বেশিরভাগ জমি পতিত থাকে। হ্রদের পানি দ্রত শুকিয়ে যাওয়ায় সেচ ব্যবস্থা নিয়ে চরম বিপাকে পড়তে হয় কৃষকদের। বর্ষা মৌসুমে হ্রদের পানি বেড়ে গেলে কৃষকদের বেশিরভাগ ফসল তলিয়ে যায়। যে কারণে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে চরম ক্ষতির সন্মুখীন হয়।

এসব জলেভাসা জমিতে অল্প সময়ে কম পরিশ্রমে ঘরে ফসল তোলা এবং কৃষকের আর্থিক ভাবে লাভবান করা যায় এমন ধারণা থেকে ক্ষতিগ্রস্থ এসব কৃষকদের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উচ্চফলনশীল ব্রিধান ৮১ ও ৯২ উদ্ভাবন করেছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানটি ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে ধানভিত্তিক খামার বিন্যাস উন্নয়নের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিকরণ’ কর্মসূচির আওতায় চলতি বছরের শুরুতে রাঙামাটির সাতটি উপজেলায় ৪০জন কৃষককে দুই কেজি করে তাদের উদ্ভাবিত ব্রিধান ৮১ ও ৯২ জাতের বীজ, সার, কীটনাশক সহায়তা প্রদান করেছিল। কৃষকরা চলতি মৌসুমে ব্রিধান ৯২ চাষ করে হেক্টর প্রতি ৯.২ মেট্রিক টন শস্য ঘরে তোলতে পেরেছে।

বরকল উপজেলার সুবলং ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ির কৃষক শরৎ কুমার চাকমা বলেন, সাধারণ ধানের চেয়ে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উচ্চফলনশীল জাতের ধানগুলোর উৎপাদন বহুগুণ ভাল। পরিচর্যা তেমন একটা লাগে না এবং অল্প সময়ে ফসল ঘরে তোলা যায়। একই এলাকার কৃষক বলেন, আমি এক একর জায়গায় সাত কেজি ব্রিধান ৯২ লাগিয়েছি। প্রায় ৭৫ মণ ধান পেয়েছি। বেশ ভাল লাগছে।

বরকল উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল জাত ৮১, ৯২ এবং বাংলামতি ৫০ কৃষকেদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে। কৃষকরা আগে হাইব্রিট এবং অন্যান্য জাতের ধানের চাষ করতো। বর্তমানে তারা ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল জাত গুলো চাষ করতে শুরু করেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাঙামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক বলেন- কৃষি বিভাগের একটি জাত উদ্ভাবন করতে ৫-৭বছর অধিককাল সময় লাগে। কিন্তু ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহায়তায় আমরা অতি অল্প সময়ে উচ্চফলনশীল ব্রিধান ৯২ কৃষকদের মধ্যে দিতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, শুধু ৯২নয়; অন্যান্য উচ্চফলনশীল জাতগুলো কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কৃষি বিভাগ কাজ করছে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি), গাজীপুর এর মহাপরিচালক বলেন, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের ভাগ্যর উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগে কাজ করছে। কেননা বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার দেশে কোন পতিত জমি থাকবে না। যেখানে জমি আছে সেখানে চাষাবাদ করা হবে। আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করছি।

এ মহাপরিচালক আরও বলেন, আমাদের দেশে যত ধরণের ধান উদ্ভাবন হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে ভাল ৯২। আমাদের উদ্ভাবিত ৮৯ অন্য জায়গায় দিয়েছি। ৮১ সবচেয়ে গ্রীন কোয়ালিটি। সবচেয়ে ভাল এবং খুব ফলন দেয়। ৯২, ৮১ বাংলামতি ব্রিধান ৫০ আমরা এখানে নিয়ে এসেছি। আমাদের বিজ্ঞানীরা এ অঞ্চলে কাজ করছে। সারাদেশে আমরা কাজ করছি।

এমএসএম / এমএসএম

ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রাক-প্রস্তুতি সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রী

লালমাই পাহাড়ের ‘সিলগালা’ কূপ ঘিরে রহস্য- ২০০৪ সালে গ্যাসের সন্ধান, কৌতূহলে স্থানীয়রা

দৌলতখানে সাজেদা ফাউন্ডেশনের 'স্টপ দ্য স্টিগমা ২.০' প্রকল্পের লার্নিং শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত

কালকিনিতে জেলেদের চাল নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের চালবাজী!

সুন্দরবনে চোরাশিকারীদের কবল থেকে ২ হরিণ উদ্ধার, বনে অবমুক্ত

হাতিয়ায় নিখোঁজ শিশুর ভাসমান লাশ উদ্ধার

রেক্টিফাইড স্পিরিট পানে বিষক্রিয়া ও মৃত্যু প্রতিরোধে মেহেরপুরে সেমিনার অনুষ্ঠিত

মধুখালীতে নওপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান আটক

ধামইরহাট পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শার্শায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

পিরোজপুরে শিশু শ্রম ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

গ্রাম পুলিশ নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ইউপি সদস্য

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রস্তুত নড়াইলের বিশাল আকৃতির গরু ‘বাহুবলি’