ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

থেমে নেই প্রতিবন্ধী সাইফুলের জীবন; পিঠা বিক্রি করেই চলছে সংসার


সাইদুল ইসলাম আবির, রায়গঞ্জ photo সাইদুল ইসলাম আবির, রায়গঞ্জ
প্রকাশিত: ২৫-১২-২০২৩ দুপুর ২:০

সাইফুল ইসলাম একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী।দৃষ্টি প্রতিবন্ধী স্ত্রী আর এক ছেলে নিয়ে তার সংসার। শীতের মৌসুমে বাড়তি আয়ের জন্য তারা বিক্রি করেন  চিতুই পিঠা।সিরাজগঞ্জের রায়ঞ্জের ধানগড়া ইউনিয়নের আটঘড়িয়া এলাকার বাসিন্দা তাঁরা।তাদের একটি মাত্র ছেলে সন্তান বর্তমানে ৮ম শ্রেণীতে পড়াশোনা করছেন।তাদের ক্ষুদ্র এই সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই এখন তাদের পরিবারে তারা  দু'জন ছাড়া আর কেউ নেই। আর স্বামী স্ত্রী  দু জনই শারীরিক ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে  উপজেলার আটঘড়িয়া বাজারের মাঠে খোলা আকাশের নিচে চিতুই  পিঠা বিক্রি করতে দেখা যায় শারীরিক প্রতিবন্ধী সাইফুল ইসলাম ও তার ৮ম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছেলে কাওছার শেখকে।পিঠা বিক্রি করে যা রোজগার হয় তা দিয়ে কোনমতে চলে তাঁদের সংসার।তাই যেকোনো  বাঁধা বিপত্তি এলেও এই ব্যবসাকে তারা টিকিয়ে রাখতে চান।শীতের মৌসুমে তাঁদের জন্য বাড়তি আয়ের আরেকটি সুযোগ এসে হাজির হয়। আর তা হলো পিঠা বিক্রি। সামনে তিনটি বেঞ্চ। আর বেঞ্চের সামনেই একটি চুলা জ্বলছে। একটি  চুলাতে চিতই পিঠা। সমাজের সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে জীবন যুদ্ধের ময়দানে টিকে থাকতে চান প্রতিবন্ধী সাইফুল।তিনি বলেন, শীতকাল এলেই আমরা ভাপা পিঠা বিক্রি করি। যেটাকে বলা যায় একপ্রকার মৌসুমি ব্যবসা। শীতের সময় ভাপা পিঠা ও চিতই পিঠা'র ব্যবসা বেশ ভালোই চলে। আর লাভও হয় আশানুরূপ। কিন্তু তেমন পুঁজি না থাকায় লাভের মুখ দেখতে পারছেন না তিনি।সকালে ২ কেজি আর বিকালে ২ কেজি চালের গুড়া দিয়ে এই পিঠা তৈরী করে চলে তাদের অভাবের সংসার । আমার অর্থ নেই ।যদি কোন ব্যক্তি আমাকে অর্থনৈতিক ভাবে সহযোগিতা করে তাহলে ভালো ভাবে ব্যবসা করার মাধ্যমে সংসার চালাতে পারবো এবং ছেলেটাকেও উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করাতে পারবো। পিঠা খেতে আসা গ্রাহকরা বলেন সব ধরনের খাবার বাড়িতে তৈরি হয়না।চিতই পিঠা খেতে খুবই ভালো লাগে। আমি একটু ফাঁকা সময় পেলে চলে আসি  দোকানে পিঠা খেতে। মাঝে মধ্যে বাড়ি'র জন্য নিয়ে যাই। আরেক ক্রেতা সানজিদুল ইসলাম জুয়েল বলেন, শীতকাল এলেই চিতুই পিঠা বিক্রির আমেজ বেড়ে যায়। প্রায় প্রতিদিনই চিতই পিঠা খেতে আসি।  দাম ১০ টাকা হলেও বেশ সুস্বাদু এই পিঠা। স্থানীয় এই বাজারে অন্যান্য দোকানের চেয়ে সাইফুল ইসলামের পিঠা বেশি বিক্রি হয় বলে জানান তিনি।তবে পুঁজি না থাকায় চাহিদা অনুযায়ী পিঠা বিক্রি করতে পারছে না তারা ।সমাজের বৃত্তবানরা যদি তাদের সহযোগিতা করেন তাহলে হয়তো খুব ভালো ভাবে ব্যবসা কওে সংসার ও ছেলের লেখাপড়া করাতে পারবেন।
ধানগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মীর ওবাইদুল ইসলাম মাছুম বলেন, প্রতিবন্ধী সাইফুল ইসলামের এই সৎ কর্মের মধ্যে দিয়ে অবহেলিত সমাজ চার-দেয়ালে বন্দি না থেকে বেড়িয়ে এসেছে নতুন কিছু সৃষ্টি করতে। তাঁরাই দেশের অর্থনীতির চাকা সমৃদ্ধি করতে ভূমিকা রাখছেন। প্রতিটি মানুষ হবে কর্মক্ষম। এভাবেই এগিয়ে যাবে সমাজের অবহেলিত মানুষেরা, আর এভাবেই বির্নিমান হবে স্মার্ট বাংলাদেশ।সমাজের বৃত্তবানদের প্রতি অনুরোধ এসকল মানুষের পাশে দাড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে তারা স¦াভাবিক জীবনে ফিরে আসবে বলে মনে করি।

এমএসএম / এমএসএম

কাশিয়ানীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৭

নান্দনিক রূপে নজর কাড়ছে ভিক্টোরিয়া কলেজের ‘স্বাধীনতা সৌধ’

জাতীয় হকি তারকা মিন্টু ও শামীম স্মরণে শোক র‍্যালি

রামপালে ইতু হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই সহোদরসহ গ্রেপ্তার ৩, রিমান্ড আবেদন

দেবীগঞ্জে হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠনকে ২২শ তালবীজ ও ফুলের চারা উপহার

টঙ্গীতে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে বিএনপি-যুবদলের পৃথক বিক্ষোভ মিছিল

নেছারাবাদে নতুন ইউএনও‌ আশিক আহমেদের সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রথম মতবিনিময়

রাজশাহী প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন আব্দুস সবুর

কুড়িগ্রামে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রতন পোদ্দার গ্রেপ্তার

"রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা)" পাচ্ছেন ঝিনাইদহ ডিবি পুলিশের এএসআই ইকলাচুর রহমান

অভয়নগরে বিজ্ঞান মেলা ও পুরস্কার বিতরণ

শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটর নিয়োগে অনিয়ম, পণ্য খালাসে জটিলতার আশঙ্কা

পাবনায় মানবকল্যাণ ট্রাষ্টের মতবিনিময় সভায় প্রধান মন্ত্রীর একনজর দেখতে আশার প্রত্যাশা ট্রাস্ট প্রধানের