বালির পয়েন্টের পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি; কৃষকের মাথায় হাত
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে বালির পয়েন্টের বাধ ভেঙে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। উঠতি ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় চোখে মুখে অন্ধকার দেখছে কৃষকেরা। অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। আর কৃষি বিভাগের দাবী কৃষকের ক্ষতির বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হবে।সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের তবারীপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ চলছে বালু ব্যবসা। ফুলজোড় নদীর খননের নামে প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা ফসলি জমি নষ্ট করে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।গত শুক্রবার রাতে বালির পয়েন্টে বাধ ভেঙ্গে তলিয়ে যায় প্রায় দুই শতাধিক বিঘা জমির ফসল।
শনিবার ভোরে কৃষকেরা জমিতে গিয়ে দেখে পানিতে ডুবে গেছে তাদের কষ্টার্জিত সরিষা ক্ষেত।কৃষকেরা জানায়, রোপন করা সরিষা,সবজি ক্ষেত, বিজ তলা সব তলিয়ে গেছে। এখন তারা চোখে মুখে অন্ধকার দেখছে। তাদের দাবী বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আজ এই ক্ষতি হতো না।
স্থানীয় কৃষক মজনু খান জানান, শুক্রবার বিকেলে সরিষা ক্ষেত দেখে গেছি। আবহাওয়া অনুকুল থাকায় এবার জমিতে ভাল সরিষা হয়েছে। ক্ষেত ভরা ফসল দেখে মনটা ভরে যায়। শুধু আামার নয় দাথিয়া এবং তবারিপাড়া গ্রামে অনেক কৃষকের ভাল সরিষা হয়েছে কিন্ত শনিবার ভোরে জমির আইলে এসে দেখি মাঠ পানিতে ভরে গেছে। যেদিকে তাকাই শুধু পানি আর পানি। মনে হয় হঠাৎ করে বন্যা দেখা দিয়েছে। শুধু আমার নয় আমার মত শতশত কৃষকের জমি পানিতে তুলিতে গেছে ফসলি জমি। একই দাবী করেন কৃষক আজিজুূল ইসলাম,আব্দুর রহমান, কামরুল ইসলাম, সেলিম ভুইয়া ও জাহাঙ্গীর আলম।তাদের অভিযোগ, এলাকার প্রভাবশালী জিল্লুর রহমান,রাজু, রানা ও জহির হাজী বালু পয়েন্ট বানিয়ে অবৈধভাবে বালির ব্যবসা করে যাচ্ছে। তারা বছরের পর বছর অবৈধভাবে বালুর ব্যবসা করায় নদীতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহ আগে একটি নতুন বালুর পয়েন্ট করে। শনিবার রাতে এই বালুর বাধ ভেঙ্গে পানি এসে ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এখন আমরা কি করব। সামনের আবাদ করার মত সামর্থ নেই। বালু ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের সাথে আলোচনা চলছে। তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। বালু ব্যবসা করছেন বৈধ কাগজ পত্র কি আছে দেখতে চাইলে তা দেখায়নি। সরেজমিন পরিদর্শন করে ঘটনার স্বত্যতা স্বীকার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনকে অবহিত করার কথা জানান উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখ সাদী। তিনি বলেন,কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বিষয়টি তারা উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে অবহিত করেছেন।
রায়গঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) তানজিল পারভেজ জানান,ফুলজোড় নদী খননের বালু নিলাম দেওয়া হয়েছে। এখানে ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্থ হলে অবশ্যই এই দায় বালু ব্যবসায়ীদের নিতে হবে। রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান বলেন,আমি শুনেছি পানিতে অনেক ফসলি জমি নষ্ট হয়েছে। তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
অভিযোগ রয়েছে নদী খননের নামে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ফুলজোড় নদীর দুই তীরে প্রায় অর্ধশত বালুর পয়েন্টে বসানো হয়েছে। যে কারনে শতশত বিঘা জমির আবাদ বন্ধ রয়েছে এবং সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে।
এমএসএম / এমএসএম
বোরো আবাদে স্বপ্ন বুনছেন বারহাট্টার কৃষকরা
তারাগঞ্জে রাসায়নিক সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা
রামুতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে বিপুল অস্ত্রসহ ২ ডাকাত গ্রেফতার
সাভারে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ৬ দফা দাবীতে শ্রমিক নেতাদের সংবাদ সম্মেলন
আত্রাইয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
শিবচরে প্রস্তুত হচ্ছে বর্জ্য ব্যবস্থপনা ইউনিট, তৈরি হবে জৈব সার
কুমিল্লায় তারেক রহমান আগমন উপলক্ষে সমাবেশ মাঠ পরিদর্শন
রাজস্থলীতে জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় প্রতিরোধ সচেতনতামূলক সভা
চাঁদপুরের পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের মাঝে প্রতিক বরাদ্দ
রাজশাহী-১ আসনে লড়াই হবে বিএনপি জামায়াতের
টাঙ্গাইলে ৮ আসনে এমপি প্রার্থী ৪৬ জন
শান্তিগঞ্জে ইরা’র উদ্যোগে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক প্রকল্প অবহিত করণ কর্মশালা