সীতাকুণ্ডে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার, দুর্ঘটনার শঙ্কা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পৌর এলাকায় সহস্রাধিক দোকান নিয়ে সীতাকুণ্ড বাজার। সেখানকার জাফর ইলেকট্রিক নামক দোকানের ভিতর বাইরে থরে থরে সাজানো গ্যাস সিলিন্ডার। পাশে দাহ্য পদার্থ গ্যাস লাইটার রিফিলের যন্ত্রপাতি। চলছে রিফিলের কাজও। একই সাথে গ্যাস সিলিন্ডারের ওপর রেখে চলছে গ্র্যান্ডিং মেশিনে চুলা মেরামতের কাজ। মেশিন থেকে আগুনের ফুলকি ছিটকে পড়ছে গ্যাস সিলিন্ডারগুলোতে। যেন এক বোমা সদৃশ দোকান। যে কোন মূহুর্তে ঘটতে পারে বিস্ফোরণ। দোকানটিতে গ্যাস সিলিন্ডার রাখা বা বিক্রির কোন অনুমোদন নেই। কেবল জাফর ইলেকট্রিকই নয় সীতাকুণ্ড বাজার ঘুরে নামে-বেনামে এমন অনেক দোকানের দেখা মেলে। যেসব মূলত খাবার, ইলেকট্রিক, মুদি কিংবা দাহ্য পদার্থ কালো লাকড়ির দোকান। শুধু সীতাকুণ্ড পৌর বাজার নয় উপজেলাজুড়ে হাট-বাজার গ্রামগন্জে শত শত দোকানি কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই ঝুঁকি নিয়ে এসব চলছে। নেই কোন তদারকি ও শৃঙ্খলা। অনুসন্ধানে দেখে যায় বাসা-বাড়ি, রান্নাঘর ও কারখানাতে রেখে বাজারজাত করছে ব্যবসায়িরা।
তথ্য অনুযায়ী গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি ও মজুদ করতে ফায়ার সার্ভিস, বিস্ফোরক পরিদপ্তরের লাইসেন্স ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেয়ার বিধান রয়েছে। ২০০৪ সালের এলপিজি মজুত সংরক্ষণ আইনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরক লাইসেন্স ব্যতীত কেউ এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করতে পারবে না। গ্যাস সিলিন্ডার মজুত স্থান সব সময় পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সেখানে কোনো প্রকারের আগুন বা বৈদ্যুতিক সংস্পর্শ না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কিন্তু কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সীতাকুণ্ডে যত্রতত্র গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
বিস্ফোরক পরিদপ্তর চট্টগ্রাম এর পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন জানান , নিয়ম অনুযায়ী খুচরা দোকানে বিক্রির জন্য সর্ব্বোচ্চ ৮টি গ্যাস সিলিন্ডার রাখা যাবে। এক্ষেত্রে কেবল ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স নিলেই হবে। ৮টি গ্যাস সিলিন্ডার বা সর্বমোট ১০০ লিটারের বেশি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করতে হলে বিস্ফোরক পরিদপ্তরের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। কিন্তু সীতাকুণ্ড পৌরসভায় একটি দোকানেরও বিস্ফোরক লাইসেন্স নেই।
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা নুরুল আলম দুলাল জানান, পৌর এলাকায় অর্ধশতাধিক গ্যাস সিলিন্ডার দোকান রযেছে। এর মধ্যে চার থেকে পাঁচটির ফায়ার লাইসেন্স আছে। এ লাইসেন্স নিতে হলে অবশ্যই দোকান ঘর পাকা হতে হবে।
এদিকে সীতাকুণ্ড উপজেলায় ফায়ার লাইসেন্সের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের পরিদর্শক জাহাঙ্গির আলম বলেন, আমার জানামতে সীতাকুণ্ডে কোন গ্যাস সিলিন্ডার দোকানের ফায়ার লাইসেন্স নেই এমনকি আমি কর্মস্থলে যোগ দেয়ার ৮ মাসে কোন গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি দোকানকে লাইসেন্স দেইনি।
বিস্ফোরক পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন তার লোকবল সংকটের কথা জানিয়ে বলেন, শীঘ্রই অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার দোকানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সম্পাদক আখতার হোসেন বলেন, যত্রতত্র গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি বা মজুত করার কারনে দেশের প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। এরপরও অসাধু ব্যবসায়ীদের আইন অমান্যের প্রবণতা কমছেনা। সীতাকুণ্ডে লাইসেন্সবিহীন গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এখনই যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া জরুরী।
এমএসএম / এমএসএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ কেজি ৬৯৫ গ্রাম হেরোইন সহ একই পরিবারের ৪ জন আটক
ভোলার সমাজসেবা অফিসে ওপেন সিক্রেট: চাহিদা মতো বকশিস না দিলে ফাইলবন্দি এতিমখানার অনুদান
আদমদীঘিতে মদ ও গাঁজাসহ আটক তিনজনের জেল-জরিমানা
ত্রিশালে আড়াইফুট উচ্চতার শফিকুলকে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য সামগ্রী দিলেন ইউএনও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পুকুর-খাল-জলাশয় রক্ষায় ঢেউ'র ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নে কর্মসূচি
উত্তাল সমুদ্রে বিচ্ছিন্ন হাতিয়ায় বন্ধ নৌ চলাচল
১৭ বছরে পুলিশকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহার করা হয়েছে,এসপি শামীমা পারভীন
মনপুরায় অন্ধ বাবার পরিবার এখনো ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে, নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ৮ হাজার টাকা
ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ নারী গ্রেপ্তার
বোয়ালমারীতে বহিস্কৃত বি এন পি নেতার বিরুদ্ধে মাদ্রাসার জমি দখলের অভিযোগ
গুরুদাসপুরে ইসলাম ধর্ম অবমাননা করে হিন্দু যুবকের ফেসবুক পোস্ট, গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ
মাদারীপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান