ক্লুলেস হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার
গত ২২ ফেব্রুয়ারী মোহাম্মদপুর এলাকায় মিরপুর রোড, লালমাটিয়া সপ্তক স্কয়ারের সামনে রাস্তার উপর ভবঘুরে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির রক্তাক্ত অবস্থায় আহত হয়ে পড়ে ছিল, স্থানীয়দের ফোন পেয়ে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ওই ব্যাক্তিকে উদ্ধার করে শহিদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করলে ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এবিষয় মোহাম্মদপুর থানায় প্রথমে একটি জিডি করা হয়, পরবর্তীতে অজ্ঞাতমা দিয়ে একটি হত্যা মামলা করা হয়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যপেক্ষণ করে জানতে পারবেন নিহত ব্যক্তিকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। পরবর্তীতে মোহাম্মদপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে একটি হত্যা মামলা হয়। এই মামলায় ৭ মার্চ মোঃ হামিতুল ফকির (২০) নামে একজন কে গ্রেফতার করেন তদন্ত কর্মকর্তা প্রান্তোষ বনিক।
এ ঘটনায় পুলিশ বলেন ঠিকানাসহ আসামীর পরিচয় সংগ্রহ করার জন্য ঘটনাস্থলের আশেপাশে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করি এবং পথচারী ব্যক্তি ও আশেপাশের দারোয়ানদের নিকট জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং খোঁজ খবর নিয়ে পুলিশ জানতে পারে যে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আসামীর হাতে থাকা কিছু কাগজপত্র নিহত ব্যক্তি টানাটানি করেলে, তাঁকে বেধড়ক মারধর করে এতেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিক ধারণা করেছে পুলিশ।
মারধর করে হত্যার বিষয় সিসিটিভি ক্যামেরায়ও তার সততা পাওয়া যায়। নিহত ব্যক্তি রাস্তায়ই রাত্রিযাপন করতেন একধরনের ভবঘুরের মত ছিলো, কিছুটা জ্ঞানহীন অবস্থায় ছিল। রাস্তায় যে যা দিত তাই খেতেন নিহত ব্যক্তি।
এবিষয়ে পুলিশ আরো বলেন, আসামির ঠিকানাসহ পরিচয় সংগ্রহ করার জন্য ঘটনাস্থলের আশেপাশে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, পথচারী ব্যক্তি ও আশেপাশের দারোয়ানদের নিকট জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং ব্যাপক খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আসামীর হাতে থাকা কিছু কাগজ পত্র নিয়ে টানাটানি করে ছিলো নিহত ব্যক্তি। এতেই ক্ক্ষিপ্ত হয়ে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে মারধর করে পালিয়ে যায় আসামি হামিতুল ফকির। গত ৭ মার্চ মোঃ হামিতুল ফকির কে, ধানমন্ডির ২৭ নং রোড থেকে গ্রেফতার করে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এর আগে এই ঘটনা ঘটিয়ে হামিতুল তার গ্রামের বাড়ি টাংগাইলে গিয়ে পালিয়ে ছিল, কিন্তু পুলিশ কৌশলে তাঁকে ঢাকায় এনে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।
এবিষয় মোহাম্মদপুর থানার (ওসি তদন্ত) তোফাজ্জল হোসেন বলেন এটি একটি চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস মামলা ছিল, পরবর্তীতে আমরা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে বিশেষ অভিযান করে আসামি কে ধরতে সক্ষম হয়েছি।
এমএসএম / এমএসএম
ইউসুফ হত্যা: তদন্ত ভিন্নখাতে নেওয়ার অভিযোগ
লিথি গ্রুপের ৫টি কারখানা বন্ধ: মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও পাওনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২৩ বাংলাদেশি ফেরত
মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে : জেলা পরিষদ প্রশাসক
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনডিএম-এর ৪০ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন
ডিএমপির তিন থানায় নতুন ওসি
আগাস্টের মধ্যে বকেয়া ও এমপিও প্রজ্ঞাপনের দাবি: জাতীয় প্রেসক্লাবে ইবতেদায়ী শিক্ষকদের মানববন্ধন
গুলশান লেক ও ইউআরপি ভবন এলাকায় পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
ইডিসিএলে অস্থিতিশীলতা তৈরির চক্রান্তের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
ওএমএসে ফিরেছে গতি রাজধানীতে স্বস্তির বার্তা
ইডি শাহজালালের তৎপরতায় তদারকিতে গতি, চাপে প্রোটোকল কোম্পানিগুলো
লিগ্যাল এইডের সহযোগিতায় শিশু সন্তানকে ফিরে পেলো কিশোরী মা