ঢাকা বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রীর ছত্রছায়ায় কালীরহাট প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য


জামাল বাদশা, লালমনিরহাট photo জামাল বাদশা, লালমনিরহাট
প্রকাশিত: ১৪-৯-২০২৪ বিকাল ৫:১৪

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার কালীরহাটে অবস্থিত কালীরহাট প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটি নানা অনিয়মের কারণে বেশ সমালোচিত। লালমনিরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহম্মেদের ছত্রছায়ায় থেকে প্রতিষ্ঠাতা বাবলু কালীরহাট প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সভাপতির বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ এবং শিক্ষক পদের জন্য দেয়া টাকা ফেরত চাইলেও টাকা না পেয়ে উল্টো হুমকি পেতে হয়েছে মনিরুজ্জামান নামে এক শিক্ষককেও। এমনই অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লালমনিরহাটের ক্যান্টিন মোড়ের একটি হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষক মনিরুজ্জামান। সংবাদ সম্মেলনে কালীরহাট প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বাবলুর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্য শিক্ষক মনিরুজ্জামান জানান, কালীরহাট প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি স্থাপিত হওয়ার পর থেকেই প্রতিষ্ঠাতা মো. বাবলু আহম্মেদের সাথে ৮ লাখ টাকা চুক্তিতে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়ার কথা হয় তার। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ২২ নভেম্বর মনিরুজ্জামানের বাড়িতে বাবলুকে ৫ লাখ টাকা দেয়া হয়। সে পরিপেক্ষিতে বাবলু আহমেদ ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর মনিরুজ্জামানকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। নিয়োগের তিন মাসের মধ্যে বাবলুকে অবশিষ্ট টাকাও দেন মনিরুজ্জামান বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।

শিক্ষক মনিরুজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন, আমাকে স্থায়ীভাবে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়ার পরও মাঝেমধ্যে ৫-১০ হাজার টাকা দিতে হতো প্রতিষ্ঠাতার হাতে। শিক্ষক মনিরুজ্জামানের বেতন হবে বলে ১২ বছর অতিক্রম হলেও বেতন হয়নি। নতুন করে বিদ্যালয়ের ভবনের অজুহাতে সভাপতি আরো টাকা দাবি করলে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পূর্বে দেয়া টাকা ফেরত চাই। এতেই বাধে বিপত্তি। ঘটে অপ্রীতিকর ঘটনা এবং তাকে হুমকি দেয়া হয় বলে শিক্ষক মনিরুজ্জামান উল্লেখ করেন। পরে গ্রাম্যভাবে বিষয়টি আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা ও পরে উকিল নোটিসের মাধ্যমে টাকা ফেরত চাইলেও মনিরুজ্জামান পাননি কেনো সুরাহা।

বর্তমানে কালীরহাট প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে শিক্ষকসহ অন্তত ৮৫ জন স্টাফ থাকলেও কেউ বেতনভুক্ত নয়। সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহম্মেদের কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত থাকায় এলাকায় কেউ প্রতিবাদের সাহস পাননি দীর্ঘদিনেও। বর্তমানে বংশীয় প্রভাব থাকায় টাকা ফেরত চাইলেও এলাকাছাড়া করাসহ নানা হুমকি পেতে হচ্ছে মনিরুজ্জামানকে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বিষয়টিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজর ও নিজের টাকা ফেরত পেতে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা প্রত্যশা করেন মনিরুজ্জামান। এ সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শিক্ষক মনিরুজ্জামান। বর্তমানে অসহায় মনিরুজ্জামান নিরাপদে জীবিক নির্বাহের জন্য ভিন্ন জেলায় গার্মেন্টসকর্মী হিসেবে কাজ করছেন।

এমএসএম / জামান

সবুজে ঘেরা চায়ের রাজ্য মৌলভীবাজার: প্রকৃতিপ্রেমীদের স্বর্গরাজ্য

গজারিয়ায় হাশেম প্রধান ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে ঈদ উপহার বিতরণ

চেক ডিজঅনার মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ১৫মাস পর গ্রেপ্তার

তানোরে বোরো পরিচর্যা ও আলু উত্তোলনের ধুম, বাড়ছে শ্রমিকের কদর

ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

আত্মত্যাগের স্মরণে শহীদ পুলিশ পরিবারের পাশে যশোর জেলা পুলিশ

মোহনা টিভির ডিজিটালে সংবাদ প্রচারের পর সুবর্ণচরের ওমরা এলপিজি ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

পুলিশের অভিযানে হাটহাজারীতে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১

বড়লেখায় ওয়ার্ড জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে কমিউনিটি লিডার হেডম্যান ও কার্বারীদের নিয়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক মত মতবিনিময় সভা

পাথরঘাটায় বাঁধ ও বনভূমি বাণিজ্যে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

ফরিদগঞ্জে নিখোঁজের ৪ ঘন্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

মনোহরগঞ্জে জমে উঠেছে ঈদের কেনা কাটা আনন্দে উৎসব মুখর ঈদ মার্কেট