ঢাকা মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

বোয়লমারীতে সরকারি হালট দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ


জাকির হোসেন, বোয়ালমারী photo জাকির হোসেন, বোয়ালমারী
প্রকাশিত: ২৭-১০-২০২৪ দুপুর ১২:৪৪

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের ভীমপুর গ্রামে সরকারি হালট দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা কাজী রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। হালটের প্রায় এক শতক জমির ওপর তিনি এই স্থায়ী পাকা দুই কক্ষের দোকানঘর নির্মাণ করছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এ ঘটনায় সচেতন এলাকাবাসীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। 

অনুসন্ধানকালে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ভীমপুর মৌজার ৫৪নং দাগের ৩৫ শতক জমির পুরোটাই সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত। অতীতে এখানে একটি খালের অবস্থান ছিল। কালক্রমে সেই খাল ভরাট হয়ে পরিত্যক্ত পতিত জমিতে পরিণত হয়। পূর্বে এই জমির কিছু অংশে ভীমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ করা হয়। বাকি যে অংশ থেকে যায়, সেখানে এখন দুই কক্ষবিশিষ্ট পাকা দোকানঘর নির্মাণ করছেন রবিউল ইসলাম, যার কাজ শেষের পথে। সরকারি জায়গায় ব্যক্তিগত স্থাপনা নির্মাণকাজের শুরুতে এলাকাবাসী বাধা প্রদান করলেও তা মানেননি রবিউল। এতে সচেতন এলাকাবাসীদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলেও বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা থেকে তারা বিরত থাকেন। ফলে নির্মাণকাজটি এখন চূড়ান্ত রূপ লাভ করতে যাচ্ছে।

সরকারি জায়গা দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি স্বীকার করে রবিউলের বৃদ্ধ বাবা কাজী শামসুল আলম এবং চাচা কাজী আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের বাড়ির সামনে জমিটির অবস্থান। দীর্ঘদিন জায়গাটি পতিত অবস্থায় পড়ে থাকায় সেখানে দোকানঘর তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রবিউল। ভুল তো করেই ফেলেছে। এখন যা হওয়ার হবে।

অভিযুক্ত কাজী রবিউল ইসলাম বলেন, জায়গা সরকারি হলেও তা ভোগদখলের অধিকার আমার আছে। আমার বাড়ির সামনের জায়গা আমি খাব না তো কে খাবে? সরকারি জায়গায় পাকা স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঘর তো করেই ফেলেছি, এখন সরকার যা করার করবে।

মো. মিজানুর রহমান নামে একজন এলাকাবাসী বলেন, ওরা খুব চালাক। জেনেবুঝেই সব করেছে। বাধা দেয়ার পরও কোনো তোয়াক্কা করেনি। বাধা দিলে কাজ বন্ধ রাখে, সরে গেলে আবার চালু করে। সরকারি জায়গা উদ্ধারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। 

ওই জায়গাসংলগ্ন ভীমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, জায়গাটি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত তাতে কোনো সন্দেহ নেই। জমির একাংশে আমাদের ভবনের আংশিক স্থাপিত হয়েছে। বাকি অংশ রবিউলরা ভোগদখল করছে। পাকা ভবন করতে নিষেধ করেছিলাম কিন্তু রা শোনেনি।

এ ব্যাপারে ঘোষপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো. ফরিদ আহমেদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, লোকমাধ্যমে খবর পেয়ে মুঠোফোনে রবিউলকে কাজ বন্ধ রাখতে বলেছিলাম। তারপরও যদি কাজ অব্যাহত রাখে, তাহলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

এমএসএম / জামান

গৌরনদী উপজেলা আইন- শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা

জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি যা বলে তা করে দেখায়- আলাউদ্দিন সরকার

ভূরুঙ্গামারীতে অসহায় পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের টাকা বিতরণ

পিতার পথেই দেশ গড়ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

শ্রীপুরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার,বীজ ও এয়ারফ্লো মেশিন বিতরণ

রৌমারীতে ভিজিএফের চাল বিতরন

অনেকে গা ভাসিয়ে খাল-নদী দখল করলেও এখন ছেড়ে দিতেই হবে - কুমিল্লায় কৃষিমন্ত্রী

কোটালীপাড়ায় ৫ কিমি খাল খননের উদ্বোধন

সলঙ্গায় মাহাসড়কের পাশে তেল চোরসহ মাদকের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান

বাগেরহাট শহরের নাগেরবাজার এলাকায় নদীর চরে জনগনের অর্থে নির্মান হচ্ছে দৃষ্টি-নন্দন ঈদগাহ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সোনার হাট স্থলবন্দরে ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা

ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি কমাতে অতিরিক্ত ট্রেন চেয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে এমপি ড. আতিক মুজাহিদের আবেদন

আমরা উন্নতি করব কিন্তু প্রকৃতি ধ্বংস করে নয়ঃ সাকি