বোয়ালমারীতে দুলু হত্যাকান্ডে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন সড়ক অবরোধ
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে চাঞ্চল্যকর দেলোয়ার হোসেন দুলু হত্যাকাণ্ড মামলায় থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার। ঘটনার ২০ পরও এজাহার ভুক্ত কোন আসামি গ্রেফতার না হওয়া,গুরুত্বপূর্ণ এক আসামিকে এজাহার ভুক্ত না করা,বাদীপক্ষের সঙ্গে অসৌজন্য মূলক আচার-আচরণ সহ নানাবিদ কারণে এমন প্রশ্ন তুলে শনিবার (১২ এপ্রিল) এলাকায় বিশাল মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। সকাল ১১ টায় বোয়ালমারী পৌর সদরের ওয়াপদা মোরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ঘন্টা ব্যাপী এ কর্মসূচি চলার একপর্যায়ে থানা পুলিশের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন আন্দোলনকারীরা। কর্মসূচিতে নিহত দুলুর দুই শিশু সন্তান সহ পরিবার,আত্মীয়-স্বজন ছাড়াও কয়েকশত এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে যারা বক্তব্য রাখেন তারা হলেন, মোঃ তারা শেখ,মোঃ কামাল শেখ,মোঃরবিউল ইসলাম,নিহতের ভাই রাজ্জাক মোল্যা,খোকন মোল্যা,মান্নান মোল্লা,শিশু মেয়ে মোছাঃমারিয়া,ছেলে মোহাম্মাদ আলী,ভাগ্নী রাবেয়া খানম,ভাতিজী সাথী আক্তার ও সনিয়া আক্তার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন,দুলু মোল্লার খুনিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের হুমকি ধমকি দিচ্ছে বেশি বাড়াবাড়ি না করার জন্য। দুলু হত্যাকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী অভিযুক্ত ওয়াহিদ খান মিল্টনকে মামলার এজাহারভুক্ত না করার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। বক্তারা বলেন,ওয়াহিদ খান মিল্টন বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের নেতা। তার অবৈধ প্রভাবের কারণেই পুলিশ তাকে মামলায় আসামি করছে না। বাদিকক্ষ থানায় গেলেও তাদের সঙ্গে পুলিশ ভালো আচরণ করছে না বল অভিযোগ । আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুলু হত্যাকাণ্ডের ন্যায় বিচার দাবি করেন বক্তারা। মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ চলাকালে রাস্তার দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি- দাওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করলে কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ওসি বলেন,মামলায় আমাদের আন্তরিকতার অভাবের অভিযোগ সঠিক নয়। ঘটনার পরেই আমরা দুই আসামিকে গ্রেফতার করি। পরে তারা আদালত থেকে জামিন পান। এখন তারা পলাতক রয়েছে। গ্রেফতারের অভিযানও চলছে। প্রথমে বাদী পক্ষ ৬ জনকে আসামি করে অভিযোগ দেন।পরে এজাহার সংশোধন করে মিলটন খান সহ অপর এক আসামিকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এজাহার সংশোধন বা পুনঃএজাহার দাখিলের কোন সুযোগ নেই। এখন তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে অবশ্যই মিল্টন খান সহ অন্য যে কাউকে চার্জশিট ভুক্ত করা হবে বলে জানান ওসি মাহমুদুল হাসান। উল্লেখ্য গত ২১ মার্চ জমি-জমা নিয়ে বিরোধের জেরে দেলোয়ার হোসেন দুলুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরবর্তীতে ৬ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ঢাকায় মারা যান।
এমএসএম / এমএসএম
শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ
গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াডে স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক পেলেন জুড়ীর ওয়ারিশা রাহমান
আওয়ামিলীগের সাথে কোন আপোষ নয় - মনিরুল হক চৌধুরী
প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে বিএনপির গফুর ভূঁইয়ার রিট
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে: পিআইবি মহাপরিচালক
সাভারে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের হ্যাঁ ভোটের প্রচারণা
আত্রাইয়ে ট্রেন-ট্রাক সংঘর্ষে অল্পের জন্য শত শত যাত্রী প্রাণে রক্ষা
আমার উপজেলা আমার দায়িত্ব—শিশুর জীবন হোক বাল্যবিবাহ মুক্ত
রূপগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া
নেত্রকোনার মদনে লাহুত হত্যা মামলার আট মাসেও মিলেনি চার্জশীট
দেয়াল পত্রিকা ইভেন্টে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের লাবিবা
তানোরে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে নির্বিচারে হাঁস মুরগী মেরে ফেলার অভিযোগ