ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

গাইড বই না কিনলে ফেল করানোর হুমকি


মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি photo মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২-১২-২০২৫ দুপুর ২:২৬

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে সমাজ উচ্চ বিদ্যালয়ে কোচিং না করিয়েও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক কোচিং ফি আদায় এবং নির্দেশিত কোম্পানির গাইড বই না কিনলে ফেল করানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাদিস উদ্দিন তালুকদারের বিরুদ্ধে।

এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গত ৩ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করে।

অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষোভে গত মঙ্গলবার বার্ষিক পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের অফিসে ডেকে নিয়ে হুমকি দেন প্রধান শিক্ষক। একই সাথে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।

এই ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা আরও একটি লিখিত অভিযোগ ইউএনওর কাছে জমা দেয়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সমাজ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় ৫০০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থী ৬৫ জন এবং শিক্ষক রয়েছেন ১২ জন।

অভিযোগ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো রকম কোচিং না করিয়েই এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছে ৯০০ টাকা করে কোচিং ফি দাবি করেন প্রধান শিক্ষক। এই টাকা দেওয়া বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়। এছাড়া গত জুলাই মাসে 'লেকচার' কোম্পানির গাইডের নির্দিষ্ট পৃষ্ঠা উল্লেখ করে সিলেবাস দিয়ে বলা হয়-গাইড কেনা বাধ্যতামূলক, অন্যথায় প্রি-টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করানো হবে।

এইসব ঘটনায় গত ৩ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীরা ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ৯ ডিসেম্বর পরীক্ষা চলাকালীন প্রধান শিক্ষক অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের ডেকে নিজের অফিস কক্ষে নিয়ে যান। তাঁর কক্ষে বসিয়ে শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ভিডিও ধারণ করা হয়, যা নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানায়, মামলার আসামিকে যেমন রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তাদেরও একইভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। অনিয়মের বিরুদ্ধে তারা অভিযোগ করেছে এবং তারা যথাযথ বিচার চায়।

তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাদিস উদ্দিন তালুকদার অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদের কারণে পরীক্ষার যেটুকু সময় নষ্ট হয়েছে, পরে সেটুকু সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থী ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ ও ভিডিও করার বৈধতা সম্পর্কে তিনি কোনো পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক আমেনা খাতুন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমএসএম / এমএসএম

সম্পদ বিলিয়ে আজ অনুতপ্ত ৮৫ বছরের শামসুল, বললেন ‘ভুল করেছি’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাগেরহাটে আগমনকে ঘিরে বিএনপি ও সাধারণ কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা

পটুয়াখালীতে আনসারের উচ্চতর প্রশিক্ষণের সমাপনী : গণপ্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান মহাপরিচালকের

তরিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শালিখায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শিবগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ

কালাইয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

বাউফলে ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের এডহক কমিটির সভাপতিকে সংবর্ধনা

রৌমারীতে স্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে ৫ দিন ধরে অনশন স্ত্রীর, বিচার প্রতারণায় পরিবার

নবীগঞ্জে মাদ্রাসাবিরোধী অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সমাবেশ

গুরুদাসপুরে কৃষকের বাড়িতে দফায় দফায় অগ্নিকাণ্ড, আতঙ্কে পরিবার

রায়পুরে চরবংশিতে ছুরিকাঘাত, বিএনপি নেতাসহ আহত ৪

বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনে প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু, ভোটার ৪ হাজার

আত্রাইয়ে ৫৬ জন শিক্ষার্থীকে পবিত্র কুরআনের সবক প্রদান