ঢাকা মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

টাঙ্গাইলে চিকিৎসা সেবা বিভিন্ন সংকটে জর্জরিত : রোগীদের ভোগান্তির শেষ নেই


রাশেদ খান মেনন, টাঙ্গাইল photo রাশেদ খান মেনন, টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ৮-৯-২০২৬ দুপুর ১১:৫৮

 টাঙ্গাইলে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রয়েছে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট 'টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল' ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল। জনবল সংকট এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। উন্নত স্বাস্থ্যসেবার জন্য রোগীদেরকে ছুটতে হচ্ছে ঢাকা নয়তো প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোতে। ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ শতাধিক রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। সেইসাথে  হাসপাতালের বহিঃবিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা সেবা নিতে আসে গড়ে প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ রোগী। হাসপাতালের সুন্দর চকচকে ভবন থাকলেও নেই পর্যাপ্ত জনবল, রয়েছে অবকাঠামোগত সমস্যা। বহুতল ভবনের বেশিরভাগ লিফট প্রায় সময় নষ্ট থাকে। এ সকল বিভিন্ন কারণে ব্যহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে চিকিৎসা নিতে আসা বেশি সংখ্যক রোগী ও তার স্বজনদের। টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ জানান, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের জনবল বাড়াতে হবে এবং নতুন পদ সৃষ্টি করতে হবে। অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান করতে হবে, তবেই প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা বিষয়ে তিনি জানান, সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট না থাকায় রোগীদেরকে প্রয়োজনীয় সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্টের জন্য বেসমেন্ট ও বেস্টনি নির্মাণ প্রয়োজন। হাসপাতালের উভয় পার্শ্বে বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য ০২ (দুই) টি কনক্রিটেট ডাক্ট নির্মাণ করা প্রয়োজন। রোগীদের পথ্য/খাবার রান্না সরবরাহের জন্য গ্যাস সংযোগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাথরুম, কোমট ও পানির লাইন সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন। হাসপাতালের নিরাপত্তা ও দর্শনার্থীর ভীড় নিয়ন্ত্রণের জন্য কেসিগেট নির্মাণ ও পর্যাপ্ত আনসার পদায়ন করা দরকার। সার্জারী, গাইনী ও অর্থোপেডিক্স, চক্ষু ও নাক-কান-গলা বিভাগ ওয়ার্ডের ড্রেসিং এবং সাব স্টোর রুমের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। ডক্টর'স ডরমেটরী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ডরমেটরী নিরাপত্তার জন্য প্রাচীর নির্মাণ করা প্রয়োজন।  হাসপাতালের অভ্যন্তরের চারপাশে পানি নিষ্কাশন সমস্যার জন্য ড্রেন সংযোগ প্রদান করা প্রয়োজন। হাসপাতালের ভাঙ্গা টাইল্সগুলো মেরামত করা প্রয়োজন। হাসপাতালের ওটি, আই.সি.ইউ, কেবিন এবং বিভাগীয় প্রধানদের জন্য নতুন এসি সরবরাহ করা প্রয়োজন। হাসপাতালের বিদ্যমান এসি নিয়মিত মেরামত ও সার্ভিসিং করা প্রয়োজন। হাসপাতালের বিদ্যমান লিফট নিয়মিত মেরামত ও সার্ভিসিং করা প্রয়োজন। হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সম্মুখে ০৪ টি সার্চ লাইট স্থাপন করা প্রয়োজন। হাসপাতালের আন্ডারগ্রাউন্ডের জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। হাসপাতালের অভ্যন্তরে অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা সচল করা প্রয়োজন। আনসার সদস্যদের জন্য ব্যারাক/শেড নির্মাণ করা প্রয়োজন। জনবল সংক্রান্ত সমস্যা বিষয়ে তিনি জানান, চিকিৎসক সংকট রয়েছে। ২০০ জন চিকিৎসক পদায়ন করা প্রয়োজন (অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী) কিন্তু আছে ৫৫ জন। নার্স সংকট রয়েছে, ৩০০ নার্স পদায়ন করা প্রয়োজন (অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী) এখানে আছে ১৮০ জন। কর্মকর্তা/কর্মচারী সংকটও রয়েছে। হাসপাতালের নিরাপত্তার জন্য ১২০ জন আনসার সদস্য পদায়ন করা প্রয়োজন। হাসপাতালের ওটি সেবা নিশ্চিত করার জন্য ৩০ জন ওটি এ্যাটেনডেন্টস নিয়োগ করা প্রয়োজন। হাসপাতালের অন্তঃবিভাগ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখার জন্য ৫০ জন পরিচ্ছন্নকর্মী (আউটসোর্সিং) নিয়োগ প্রয়োজন। তিনি আরও জানান, রোগী পরিবহনের ০২ টি এম্বুল্যান্স প্রয়োজন। পরিচালকের প্রশাসনিক কাজের জন্য ০১ টি জিপ গাড়ী প্রয়োজন। ক্যাথল্যাব মেশিন চালু করার জন্য মেশিন মেরামত ও জনবল প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। কিডনী ডায়ালাইসিসের জন্য মেশিন স্থাপন ও জনবলের প্রশিক্ষন গ্রহন করা প্রয়োজন। আই.সি.ইউ বেড চালু করার জন্য সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপন ও প্রয়োজনীয় জনবল পদায়ন প্রয়োজন। কেবিন চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করা প্রয়োজন। এ সকল সংকট এবং সমস্যা নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজননীর দপ্তরসমুহে প্রতিনিয়ত চিঠি দিয়ে অবহিত করছেন বলেও জানান ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৩৫০-৪০০ রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। এই হাসপাতালে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগীরা আসে চিকিৎসা নিতে। এছাড়াও হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা সেবা নিতে আসে গড়ে প্রায় ১০০০ রোগী।জনবল সংকট এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক বলেন, জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করলে আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। তিনি আরও জানান, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ষ্ট্যান্ডার্ড সেটআপে সিনিয়র কনসালটেন্ট প্রয়োজন ২০ জন  অনুমোদিত পদ রয়েছে ১২ টি, পূরণকৃত পদের সংখ্যা ৫ , আরো নূন্যতম প্রয়োজন ৭ টি পদ, জুনিয়র কনসালটেন্ট প্রয়োজন ৪২ জন,  অনুমোদিত পদ রয়েছে ১০ টি, পূরণকৃত পদের সংখ্যা ৪ , আরো নূন্যতম প্রয়োজন ৬ টি পদ, আবাসিক সার্জন প্রয়োজন ৪১ জন অনুমোদিত পদ রয়েছে ৪১ টি, পূরণকৃত পদের সংখ্যা ২১, আরো নূন্যতম প্রয়োজন ২০টি পদ।  জরুরি প্রয়োজন সিনিয়র কনসালটেন্ট মেডি-২, সার্জারি-২। জুনিয়র কনসালটেন্ট-মেডি-১, সার্জারি-১। বহিঃ বিভাগে মেডিকেল  প্রয়োজন ২৪ জন  অনুমোদিত পদ রয়েছে ৬ টি, পূরণকৃত পদের সংখ্যা ৬, আরো নূন্যতম প্রয়োজন ১৮টি পদ, জরুরি বিভাগে মেডিকেল  প্রয়োজন ৮ জন, অনুমোদিত পদ রয়েছে ৮ টি, পূরণকৃত পদের সংখ্যা ৪ , আরো নূন্যতম প্রয়োজন ৪টি পদ। ২০২৫ সালে বহিবিভাগে আগত রোগীর সংখ্যা ৫১১১৬২ জন। বিশ্বের অন্তত পনেরটি দেশের জনসংখ্যা এরচেয়ে কম। (দেশগুলো হলো- ভ্যাটিকান সিটি, টুভালু, নাউরু, পালাউ, সানমারিনো, মোনোকো, লিচেনস্টাইন, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, সেন্ট কিটস ও নেভিস, এন্ডোরা, অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা, ডোমিনিকো, মাইক্রিনেশিয়া, কিরিবাতি।অন্তঃবিভাগে কর্মরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক-৮ জন (ওয়ার্ডে কর্মরত), অন্তঃবিভাগে কর্মরত চিকিৎসক-১৮ জন (ওয়ার্ডে কর্মরত)। আদর্শ পরিবেশে একজন মেডিকেল অফিসার ২৫ জন রোগীর দেখার কথা। দেখছেন গড়ে ৮০ জন। প্রায় ৩.২ গুণ! অন্তঃবিভাগে তিন শিপটে  পরিস্কার করার জন্য প্রয়োজন ৫৬ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী (প্রতি ইউনিটে একজন ডে-অফ সহ ৪ জন করে) বর্তমানে অফিসিয়ালি আছে ১৫ জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে প্রতি ১০-১৫ বিছনার জন্য ১ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রয়োজন। সেই হিসাবে শুধু ইনডোরে ৭৫-১০০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রয়োজন। মান সম্মত রোগীর ট্রলি বহনকারী কর্মী প্রয়োজন অন্তত ১০ জন। আমাদের এখানে অফিসিয়ালি কর্মরত আছেন মাত্র ২ জন। অন্য ইউনিট থেকে এনে অতিরিক্ত কাজ করানো হচ্ছে। (কিভাবে সেবা পাবেন তার বর্ণনা দেয়ালে দেয়ালে টাঙ্গানো আছে।)
নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি জানান, বর্তমানে কর্মরত নিরাপত্তা প্রহরি -৬ জন, আনসার প্রয়োজন-৩০ জন। অবকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে জানান, ১৯৭৪ সালের ওয়ারিং এখন পর্যন্ত চলছে। পরিবর্তন প্রয়োজন। যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র- ২৪/১১/২০২৫ সালে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। ড্রেনেজ সমস্যা- ড্রেন খনন ও সংস্কার প্রয়োজন। হাসপাতালের পয়োঃনিষ্কাশনের জন্য হাসপাতালের বাইরের ড্রেন সচল রাখা প্রয়োজন। আয়রন মুক্ত পানি সরবরাহ করা প্রয়োজন। আই সি ইউ সংক্রান্ত বিষয়ে জানান, এখন পর্যন্ত ৩ জন চিকিৎসক আছেন। সার্বক্ষনিক সেবার জন্য আরো ৩ জন চিকিৎসক প্রয়োজন। ক্লিনার প্রয়োজন - ৮ জন। বর্তমানে আছে ২ জন। বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে জানান, দুই হাসপাতালের বর্জ্য এক স্থানে ফেলার জন্য জায়গার সংকুলান হচ্ছে না।পৌরসভাকে প্রতি বছর বর্জ্য অপসারনের জন্য পৌরকর দেয়া হয়-৪২০০০০টাকা।পৌরসভা প্রতিদিন বর্জ্য সরালে এ সমস্যার সমাধান হবে। পৌরসভাকে প্রতি বছর রোড লাইটের জন্য পৌরকর দেয়া হয়-১৮০০০০টাকা। বেশির ভাগ সময়ই রাতে হাসপাতালের ক্যাম্পাস স্বল্প আলোর কারনে অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আয়রনমুক্ত পানির সরবরাহ অপ্রতুল। পৌরসভাকে প্রতি বছর পানির জন্য পৌরকর দেয়া হয় ২৬৬০০০ টাকা। পৌরসভা কর্তৃক সরবরাহকৃত আয়রনমুক্ত পানি খুবই অপ্রতুল। কেবল রান্নাঘরে সরবরাহ করা হচ্ছে। ট্রিটমেন্ট প্লান্ট তৈরির মাধ্যমে এর সমাধান করা যেতে পারে। এ ব্যাপারে পি ডাব্লিউ ডির সহায়তা প্রয়োজন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর পথ্য এখন পর্যন্ত অত্র হাসপাতালে প্রস্তুত করা হচ্ছে। অতিরিক্ত গ্যাসের খরচের জন্য অডিট আপত্তি হচ্ছে। গ্যাস কোম্পানি থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য না পাওয়ায় বিল সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হচ্ছে। বেশিরভাগ কোয়াটারের প্রতি বাসায় আলাদা মিটার না থাকায় বিল হাসপাতালের নামে বিল হচ্ছে।অনেক পুরাতন বিল বকেয়া রয়ে গেছে।বেশিরভাগ কোয়াটারের প্রতি বাসায় আলাদা মিটার না থাকায় বিল হাসপাতালের নামে বিল হচ্ছে। প্রতিটি কোয়াটারে আলাদা মিটার সংযোগ দেয়া প্রযোজন। অনেকগুলো আবাসিক কোয়াটারে সংস্কার প্রয়োজন। বেশ কিছু অব্যাবহৃত কোয়াটার ব্যাবহার অযোগ্য হয়েছে, তা বাতিল ঘোষনা করা প্রয়োজন। নতুন করে কোয়াটারে বাসার পরিবর্তে ডরমেটরি তৈরি প্রয়োজন। আমাদের হাসপাতালের নির্দিষ্ট কোন মর্গ নেই। সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধায়নে যে মর্গ চালু আছে তা জীর্ণ ও ব্যাবহারের অনুপযুক্ত। মেডিকেল কলেজের যে মর্গটি ফরেনসিক বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত ও মেডিকেলের ছাত্রদের শিক্ষাদানের জন্য তৈরি হয়েছে তা সচল করলে এই সমস্যা সমাধান হবে। দালাল নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের সহায়তা পাচ্ছি। সপ্তাহে একবার মোবাইল কোর্ট হলে দালাল নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। সামাজিক সচেতনা বৃদ্ধির প্রয়োজন। জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব উপস্থাপনা করা হয় বলে তিনি জানান।

Aminur / Aminur

শৈলজারঞ্জন কেন্দ্রে নেই সাংস্কৃতিক কার্যক্রম , নষ্ট হচ্ছে ভবন

টাঙ্গাইলে চিকিৎসা সেবা বিভিন্ন সংকটে জর্জরিত : রোগীদের ভোগান্তির শেষ নেই

বরিশালে ‘সাহিত্য পাতা আষাঢ়' সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন

চন্দনাইশে ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন কনফারেন্স’ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

গোপালগঞ্জে নদীভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি, বসতভিটা হারিয়ে অন্য জেলায় আশ্রয় নিচ্ছেন মানুষ

দেবে যাচ্ছে ঘের সংলগ্ন মনিরামপুর-নওয়াপাড়া সড়ক, উঁপড়ে পড়ছে গাছ

অবৈধভাবে সার মজুত রোধে অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা

ঢাকা ইপিজেডে কারখানা শ্রমিকদের জন্য সমন্বিত চক্ষু ও এনসিডি স্বাস্থ্য

কেয়া গ্রুপের চার প্রতিষ্ঠানে ৬১৩ জন শ্রমিক ছাঁটাই

শেরপুরে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন

শালিখায় অবৈধভাবে সার মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

কুড়িগ্রামে সারের কৃত্রিম সংকট নিয়ে বিক্ষুব্ধ কৃষকঃ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক

সখিপুরে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ)-র ৩১ সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠিত