অবিশ্বাস্য ছন্দে বিজয়ের রেকর্ড; অপেক্ষা এখন জাতীয় দলে ফেরার
লাল-সবুজের জার্সিতে অভিষেকটা হয়েছিল সেই ২০১২ সালের শেষের দিকে। সে বছর ৩০ নভেম্বর খুলনায় উইন্ডিজের বিপক্ষে দেশের জার্সি গায়ে প্রথম একদিনের ম্যাচ খেলতে নামেন এনামুল হক বিজয়। সোহাগ গাজী ও আব্দুর রাজ্জাকের স্পিন ঘূর্ণিতে ক্যারিবীয়দের মাত্র ১৯৯ রানেই গুটিয়ে দেয় টাইগাররা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবাল এবং নাঈম ইসলামের হাফসেঞ্চুরিতে ৪০.২ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় টাইগাররা। নিজের অভিষেক ম্যাচে বিজয়ের ব্যাট থেকেও আসে ৪১ রান। সেই থেকেই নিজের নামটা বেশ পরিচিতি পায়। তারপর থেকে নিয়মিতই দলে থাকতেন বিজয়। তবে হঠাৎ করেই কোথায় যেন হারিয়ে যায় মারকুটে এই ব্যাটার। জাতীয় দলের জার্সিটাও যে গাড়ে জড়ানো হচ্ছে না প্রায় তিন বছর হয়ে গেল। দেশের হয়ে শেষ ম্যাচটি খেলেছিলেন ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। সেই থেকে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার অপেক্ষায় কেটে গেল প্রায় তিনটি বছর। তবে সেই অপেক্ষার অবসান হতে পারে এবার। ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগে বিজয় যে কীর্তি করেছেন তাতে বিসিবির নির্বাচকদের চোখ এড়ানো বড়ই দায়। আর তার পারফরম্যান্সই বলে দিচ্ছে, আবারো জাতীয় দলে ফেরার যোগ্য দাবিদার এখন এনামুল হক বিজয়। ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে ১৪ ম্যাচে তার গড় ৮০.১৫। স্ট্রাইক রেট ৯৭.৪৭; যা এনামুল হক বিজয় নামটার সঙ্গে বেশ মানানসই। ৫ অর্ধশতকের সঙ্গে রয়েছে তিনটি শতক। সর্বমোট রান ১০৪২; তবে এই সংখ্যাটা বাড়ানোর জন্য অবশ্য আরো একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন এনামুল। তবে এতকিছুর ভিড়ে অবিশ্বাস্য ছন্দে একটা বিশ্বরেকর্ডও গড়ে ফেলেছেন এনামুল। এই মৌসুমে তাঁর ১০৪২ রান লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটের এক টুর্নামেন্টেরই সেরা।
টম মুডি, জিমি কুক, জ্যাক রুডলফ ও কার্ল হুপারদের ছাপিয়ে সবার উপরে এখন এনামুল হক বিজয়। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল টম মুডির। ১৯৯১ সালে সানডে লিগে ১৫ ম্যাচে ৯১৭ রান করে এই তালিকায় এতদিন সবার উপরে ছিলেন টম মুডি। ৩১ বছর বছর পর সেই রেকর্ডটি নিজের করে নিলেন এনামুল। এখন শুধু অপেক্ষা জাতীয় দলে ফেরার।
এমএসএম / এমএসএম
ইসলামের নামে রাজনীতি, নাকি মদিনা সনদের আলোকে ৩১ দফার বাস্তবায়ন: রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা কোন রাজনৈতিক দর্শনে?
এমন একটা সরকার চাই
পবিত্র শবে বরাত: হারিয়ে যেতে বসা আত্মার জন্য এক গভীর ডাক : মোহাম্মদ আনোয়ার
ঘুষ, দালাল ও হয়রানি: জনগণের রাষ্ট্রে জনগণই সবচেয়ে অসহায়!
সুস্থ জীবনের স্বার্থে খাদ্যে ভেজাল রোধ জরুরী
আস্থার রাজনীতি না অনিবার্যতা: তারেক রহমান ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক শূন্যতা!
রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কঠিন পরীক্ষায় ত্রয়োদশ নির্বাচন
নির্বাচনী ট্রেইনে সব দল, ক্ষমতার চূড়ান্ত মালিক জনগণ!
ঈমানের হেফাজতের নগরী মদিনা: মক্কার চেয়ে দ্বিগুণ বরকতের অন্তর্নিহিত রহস্য!
বিপ্লবের আশা-আকাঙ্ক্ষার যেন অপমৃত্যু না হয়
গণমানুষের আস্থার ঠিকানা হোক গণমাধ্যম
নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা: সরকার-বিরোধী উভয়েরই কল্যাণকর