ঢাকা শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে খোলা মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯-৬-২০২১ দুপুর ৪:৯

কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধে বিধিনিষেধ জারি করেছে সরকার। ঘোষিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সব ধরনের মার্কেট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই খোলা রয়েছে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট।

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটটি মূলত তিনভাবে বিভক্ত। এর একাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাইকারি বিক্রির বাজার। একাংশে একই ধরনের পণ্য বিক্রি হচ্ছে খুচরা দরে। আর এই দুইয়ের মাঝখানে পোশাক, গহনা ও গৃহস্থালি পণ্য বিক্রির দোকান।

মঙ্গলবার দুপুরে মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, পোশাক, ব্যাগ, জুতা, গহনা, প্রসাধনীর সবগুলো দোকান খোলা রয়েছে। পাশাপাশি মার্কেটের সামনের ফুটপাতের সব দোকানও খোলা।

গত সোমবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সব শপিংমল, মার্কেট, রিসোর্ট, বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

প্রজ্ঞাপনের পরে গতকাল থেকেই রাজধানীসহ সারাদেশের সব শপিংমল ও মার্কেট বন্ধ করা হয়। রাজধানীর সব নামিদামি মার্কেট ও বিপণি-বিতান বন্ধ রয়েছে। তবে ব্যতয় ঘটেছে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেটের ক্ষেত্রে। মার্কেটের সব ব্যবসায়ী তাদের দোকান খোলা রেখেছেন।

পোশাক বিক্রির দোকানে ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। পাশাপাশি প্রসাধনীর দোকানে নারী ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়। এছাড়া ইলেকট্রনিক পণ্যের দোকানেও রয়েছে ক্রেতাদের আনাগোনা। আর মার্কেট জুড়ে দেখা যায়নি স্বাস্থ্যবিধি মানা বা সামাজিক দূরত্ব।

সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে দোকান খোলা রাখার কারণ জানতে চাইতে কথা বলতে রাজী হননি ব্যবসায়ীরা। উল্টো প্রতিবেদকের উপর চটে যান কয়েকজন। মার্কেটের একজন পোশাক ব্যবসায়ী বলেন, 'আপনাদের এত সমস্যা ক্যান? আমরা খোলা রাখছি, আমাদের সমস্যা নাই। কাস্টমারের সমস্যা নাই। আপনারাই সব ঝামেলা বাধান।'

এদিকে পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে একজন পোশাক ব্যবসায়ী ঢাকাটাইমসকে জানান, মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক মো. মিয়া চাঁনের অনুমতিতেই তারা মার্কেট খোলা রেখেছেন। মিয়া চাঁন মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

মার্কেট খোলা থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। মিয়া চাঁন দাবি করেন, পাইকারি ও খুচরা খাদ্যপণ্যের দোকান খোলা আছে। বাকি সব বন্ধ।

এই প্রতিবেদক মার্কেট পরিদর্শন করেছেন এবং পুরো মার্কেট খোলা রয়েছে বলা হলে মিয়া চাঁন বলেন, 'কয়েকটা দোকান খোলা থাকতে পারে। এগুলো দোকানদারা নিজেরা খুলেছে।'

দোকান খোলার রাখার অনুমতি দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন মিয়া চাঁন। তিনি বলেন, 'আমি কাউকে দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেইনি। আমি মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আমি সরকারের একটা অংশ। আমি তো সরকারের নির্দেশ অমান্য করতে পারি না।'

মার্কেট বন্ধে তার ভূমিকা কী হবে জানতে চাইলে মিয়া চাঁন বলেন, 'আমি ব্যবস্থা নেব। আজকে তো না। কালকে থেকে বন্ধ থাকবে।'

প্রীতি / প্রীতি

বাংলাদেশ কংগ্রেসের কাউন্সিলে রেজাউল সভাপতি ও ইয়ারুল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

রাজধানীর উত্তরায় বারে অভিযান, আটক ১৪০

শাহবাগে সাংবাদিকদের পিটুনি: দুঃখপ্রকাশ করলো ছাত্রদল

বৃহত্তর উত্তরা সর্বোচ্চ উলামা আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

শহীদ মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কামারপাড়া তুরাগের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

রাজউকের মোবাইল কোর্ট অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তিন ভবনে ব্যবস্থা, মিটার জব্দ

জন্মনিয়ন্ত্রণে ‘ভূতের বাতি’ সামগ্রীর তীব্র সংকটে সেবা ব্যাহত, বঞ্চিত কোটি কোটি দম্পতি

ফায়ারের ডিজির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত ফায়ার ফাইটার কামাল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মালামাল চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২

সাংবাদিকের ওপর হামলা হোটেল বায়ান্ন ইন্টারন্যাশনাল কর্মচারীদের

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে ফরেস্ট গার্ডদের মামলা পদোন্নতির সমাধান আদালতে

‘সংরক্ষিত আসনের জন্য আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, ফিরিয়ে দিয়েছি’