আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন আবশ্যক
কিছুদিন পূর্বে বরিশালে এক তরুণী ‘সব প্রস্থান বিদায় নয়’ লিখে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। আবার আজকে ‘ছাত্রকে বিয়ে করা কলেজ শিক্ষিকা’ আত্মহত্যা করেছেন। আসলে এর মূলে কী রয়েছে? একটু দেখা যাক। আমি বরিশালের সেই তরুণীর বিগত কিছু পোস্ট দেখেছি, যেখানে তিনি সামাজিক বৈষম্য, বর্ণবাদ ও অবহেলার স্বীকার। তিনি এক পোস্টে তার অর্থ থাকলে প্লাস্টিক সার্জারি করে ফর্সা হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। এক পোস্টে লিখেছেন চলে যাওয়ার সংখ্যা ৩৮ অন্য পোস্টে লিখেছেন বর্ণবাদ নিয়ে। মূলত নানাভাবে তিনি সামাজিক বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।
অন্যদিকে শিক্ষিকা আত্মহত্যার পিছনেও প্রাথমিকভাবে সামাজিক সমালোচনার কথা জানা যায়। আসলে আমরা মানুষ হিসেবে এমন কেনো?- মূখে সবাই সাম্য-মানবিকতা আর মনুষ্যত্ব মূল্যায়নের কথা বলি বাস্তবে তা বিপরীত। আমরা দেখি করি তার রূপ সৌন্দর্য, দেখি সামাজিক অবস্থান। আর সেগুলো আমাদের প্রত্যাশার সাথে মিললে ভালো নয়তো সমালোচনার ঝড়। এমন তো হওয়া উচিত নয়।
যেমন সামাজিকভাবে উচিত নয়, তেমনি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও উচিত নয়। আমাদের নবী (সা.) কিন্তু ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছরের নারীকে বিয়ে করেছিলেন। তখনকার সময়ের মানুষ তো এভাবে বিচার করা বা সমালোচনা করেনি। দেশের সংবিধান বলেও তারা অপরাধ করেনি। আপনি আমি সমালোচনা করার কে? আল্লাহ যাকে যেমন ইচ্ছা সৃষ্টি করেছেন- আপনি আমি সমালোচনা করার কে? আপনার আমার তো নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ নেই, তাহলে সমালোচনা কেন? আত্মহত্যা কে উৎসাহ দেওয়া হয়নি। আত্মহত্যা মহাপাপ বরং সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।
সুতরাং, আসুন দৃষ্টিভঙ্গি বদলাই, ধর্মীয় মূল্যবোধের জীবন গড়ি, সমালোচনা পরিহার করি, মানুষে-মানুষে ভেদাভেদ দূর করি। তার রূপে নয় মনুষ্যত্ব দিয়ে বিচার করি। সাম্য সম্প্রতি ও আত্মমর্যাদার সমাজ গড়ি, যা আত্মহত্যা প্রতিরোধের বড় একটা হাতিয়ার হতে পারে।
এমএসএম / এমএসএম
ইসলামের নামে রাজনীতি, নাকি মদিনা সনদের আলোকে ৩১ দফার বাস্তবায়ন: রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা কোন রাজনৈতিক দর্শনে?
এমন একটা সরকার চাই
পবিত্র শবে বরাত: হারিয়ে যেতে বসা আত্মার জন্য এক গভীর ডাক : মোহাম্মদ আনোয়ার
ঘুষ, দালাল ও হয়রানি: জনগণের রাষ্ট্রে জনগণই সবচেয়ে অসহায়!
সুস্থ জীবনের স্বার্থে খাদ্যে ভেজাল রোধ জরুরী
আস্থার রাজনীতি না অনিবার্যতা: তারেক রহমান ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক শূন্যতা!
রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কঠিন পরীক্ষায় ত্রয়োদশ নির্বাচন
নির্বাচনী ট্রেইনে সব দল, ক্ষমতার চূড়ান্ত মালিক জনগণ!
ঈমানের হেফাজতের নগরী মদিনা: মক্কার চেয়ে দ্বিগুণ বরকতের অন্তর্নিহিত রহস্য!
বিপ্লবের আশা-আকাঙ্ক্ষার যেন অপমৃত্যু না হয়
গণমানুষের আস্থার ঠিকানা হোক গণমাধ্যম
নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা: সরকার-বিরোধী উভয়েরই কল্যাণকর
শবে মেরাজের তাজাল্লি ও জিব্রাইল (আ.) এর সীমা: এক গভীর ও বিস্ময়কর সত্য!
Link Copied