ঢাকা শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

ধান চাষ এখন কৃষকের গলার কাঁটা


ফরমান শেখ,  ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি photo ফরমান শেখ, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২২-১১-২০২২ দুপুর ২:৪৩

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে আমন মৌসুমে উঁচু জমিতে ধান চাষাবাদ করা গেলেও বন্যা ও টানা বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতায় নিচু জমিতে আমন ধান চাষ করা সম্ভব হয় না। আর এইসব জমি অনাবাদি থাকায় যত্রতত্র জন্মে কচুরিপানাসহ নানা জাতের আগাছা। ফলে প্রতি বছরই অনাবাদি থেকে যায় শতশত একর ফসলি জমি। জমিগুলো থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় আমন ধান চাষ থেকে বঞ্চিত হতে হয় বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

জমিগুলো কয়েক মাস জলাবদ্ধতা থাকার পর এখন পানি নেমে গেছে। কিন্তু রয়ে গেছে কচুরিপানাসহ বহু জাতের আগাছা। বীজতলা ও আগাম বোরো ধান রোপনের লক্ষে এসব অনাবাদি জমিতে জন্মানো আগাছা অপসারণ করতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কৃষকরা। তবে, এসব আগাছাই প্রধান গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগাছা পরিষ্কার করতে কৃষকের গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত হাজার হাজার টাকা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নিকরাইল খালপাড় এলাকা, কয়েড়া ধোপাচড়া বিল, আমুলাদহ বিল, বিলচাপড়া বিল, রুহুলী বিল, বিল কয়া, নিকলা বিল, তারাই বিল, মাছিহাটা পাড়া বিল, আনার খাঁ পাড়া বিল, পাঁচতেরিল¬্যা বিলসহ অসংখ্য ছোট-বড় বিলে কচুরিপানাসহ নানা জাতের ঘাসে সয়লাভ হয়ে আছে। বর্তমানে জমিগুলোর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় আগাছা পরিষ্কার করতে ব্যস্ত সময় পাড় করছে কৃষকরা। সে আগাছা পচনের লক্ষ্যে জমিতেই আগাছার স্তুব করে রাখা হয়েছে।

নিকলার আগাছা পরিষ্কার করতে আসা কৃষক শাহজাহান মন্ডল বলেন, আমন মৌসুমে অথৈই পানি থাকে। তখন ধান চাষ করতে পারি না। ফলে পানিতে কচুরিপানাসহ নানা জাতের ঘাস জন্মে চট পড়ে যায়। আগাছা দমনে আগাছা কীটনাশক ব্যবহার করেও কোন কাজ হয় না। এখন পানি শুকিয়ে গেছে, বীজতলা ও আগাম বোরো ধান রোপনের সময়। তাই অনেক কষ্টে জমির আগাছা পরিষ্কার করতে নেমেছি। এছাড়া অতিরিক্ত খরচ লাগছে, শ্রমিকের মজুরিও বেশি।

কয়েড়ার কৃষক রাশেদ আলী বলেন, ঘাস ও কচুরিপানায় পায়ে কাঁদাও লাগে না। ঘাসের চট লেগে গেছে। ৩০ শতাংশ জমি ৪ দিন ধরে পরিষ্কার করছি। কিন্তু এখনো শেষ করতে পারেনি। আরও দু’দিন সময় লাগবে। বন্যা ও টানা বৃষ্টির পানির কারণে জলাবদ্ধতায় এমনটা হয়। পানি নিষ্কাশনে কোন ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ফলে অনাবাদি থেকে যায় শতশত একর জমি, জন্ম নেয় বিভিন্ন ধরণের আগাছা। 

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১ বিঘা (৩৩ শতাংশ) জমির আগাছা পরিষ্কার করতে খরচ হচ্ছে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। এসব জমিতে একবারই ধান চাষ করা হয়। জমিতে পানি প্রবেশ করে ঠিকই কিন্তু বের হয় না। প্রভাবশালী ব্যক্তিরা খালগুলো মাটি ভরাট করে রাখায় পানি নিষ্কাশন হয় না। এতে সৃষ্টি হয় দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতা। এসব জমির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকলে শতশত একর জমি অনাবাদি থাকতো না। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা জরুরি।  

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ূন কবির জানান, বন্যা ও টানা বৃষ্টির ফলে এ উপজেলায় অসংখ্য জমি অনাবাদি থেকে যায়। এতে করে সেসব জমিতে কচুরিপানাসহ জন্মে বিভিন্ন আগাছা। এসব আগাছা পরিষ্কার করে জমিতেই স্তুব করে পচিয়ে ফেলতে পারলে জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পায়। জমিতে বীজতলা বোরো চাষ রোপনের জন্য কৃষককে কৃষি প্রণোদনা দেয়া এবং জমিতে আগাছা কীটনাশক ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। 

এমএসএম / এমএসএম

ঈদের ছুটি শেষে ঢাকাগামী ট্রেনে প্রচণ্ড ভিড়, ছাদে বসেও ফিরছে মানুষ

হাটহাজারীতে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ধামইরহাটে উমার ইউনিয়নবাসীর খাদেম হতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী মোসাদ্দেকুর রহমান পিন্টু

নরসিংদীতে অনুমোদনহীন হাসপাতালে অভিযান, একটিকে সিলগালা, অপরটিকে জরিমানা

মাদারীপুরে গাছের মগডালে ঝুলছিলো মাইক্রো চালকের মরদেহ

নন্দীগ্রামে দিগন্ত শিক্ষা ফাউন্ডেশন আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ

চৌগাছায় বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ

পাবনা থেকে কাজের সন্ধানে এসে মাগুরায় বজ্রপাতে শ্রমিকের মৃত্যু

মনোহরদীতে গাঁজা সেবনের দায়ে তিনজনকে কারাদণ্ড

অবৈধ তেল মজুদে গোপালগঞ্জে জরিমানা

দাউদকান্দিতে আগাম সরগরম ভাইস চেয়ারম্যান পদ: বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে তৃণমূলে চুলচেরা বিশ্লেষণ

সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডে ২৪ টি গরু-ছাগল পুড়ে ছাই, ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা

শান্তিগঞ্জে সোনাই মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার