পঞ্চগড়ে ডিসির আত্মীয়ের পরিচয়ে চাকুরির টোপ দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকুরির টোপ দিয়ে ছয় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে। বসতভিটা বিক্রি করে টাকা দিয়ে চাকরিও হয় নাই টাকাও ফেরত দিচ্ছে না এতে চাকুরি প্রার্থীরা বিপাকে পড়েছেন। চাকুরি দেয়ার নামে প্রতারণা করার শাস্তির দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযুক্ত ফারুক হোসেন পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের ভায়রা ভাই।দেবীগঞ্জ উপজেলার মল্লিকাদহ চৌধুরী পাড়া এলাকার মৃৃত আব্দুল বারীর ছেলে।ওই এলাকার প্রতিবন্ধী একটি স্কুলের সহকারী শিক্ষক তিনি।
জানা যায়, ফারুক হোসেনের মামা আইয়ুব আলী চাকলাহাট রতনীবাড়ি বাজারের একজন ব্যবসায়ী ও একই এলাকায় বসবাস করার সুবাদে ওই এলাকার মানুষের সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে উঠে মমিনের সাথে। ফারুক কয়েক মাস আগে থেকে তাকে বার বার বলেছিলেন ডিসি অফিসে জনবলের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে চাকুরী প্রার্থী দিতে। টাকা কম লাগবে চাকুরি হওয়ার পর টাকা।সেই সুবাধে মমিন তার এলাকার শাকিল, তারেক ও আপেল মাহমুদের পরিবারের সাথে কথা বলে। ফারুক নিজে থেকে তিনজনের কাগজপত্র নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে আবেদন করে দেয় এবং তিন জনের সাথে চুক্তি হয় ২৪ লাখ টাকা।বিভিন্ন কারন দেখিয়ে দফায় দফায় তিনজনের কাছে ছয়লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় ফারুক।পরে তাদের চাকুরি না হওয়ায় ফারুকের কাছে টাকা চাইতে গেলে আজ- কাল করে টালবাহানা করে।
চাকুরি প্রার্থীরা ছিলেন, আপেল মাহমুদ নারায়নপুর পন্ডিতপাড়া এলাকার জসিম উদ্দীনের ছেলে,তারেক শিংরোড সিপাহী পাড়া এলাকার নুর ইসলামের ছেলে ও শাকিল ইসলাম ভূজারি পাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। চাকুরি প্রার্থী তারেক বলেন,ফারুক হোসেনের সাথে ৮ লাখ টাকা চুক্তি হয়েছে, দুই লাখ অগ্রীম দেয়া হয়েছে। চাকুরিও হয়নি টাকাও নাই।
শাকিলের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন,বসত ভিটা বিক্রি করে ৩ লাখ টাকা দিয়েছি, চাকুরিতো হয় নাই এখন যে কি করব।টাকাও ফেরত দিচ্ছেনা।টাকা ফেরতসহ প্রতারণা করার শাস্তির দাবী জানান এ সময় তিনি। অভিযুক্ত ফারুক হোসেনের বড়ভাই আবুল কালাম আজাদ বলেন, ফারুকের জন্য ভাল মানুষের বদনাম হচ্ছে কিছু দিন যাবত ফারুকের বাসায় অনেক মানুষ টাকা ফেরত নিতে আসে,তখনই আমরা বিষয় টা বুঝতে পারি।
মমিন হক জানান,ফারুক বর্তমান জেলা প্রশাসকের ভায়রা ভাই। ডিসির বাসায় আমাকে নিয়ে গেছিল একদিন, ডিসির গাড়ীতে করে আমাকে পঞ্চগড় থেকে বাড়ী পৌঁছে দিয়েছে,এজন্য ফারুক হোসেনের উপর আমার বিশ্বাস হয়েছে। তাই তাকে টাকা দেয়া দিয়েছি। চাকুরিতো আর হয়নি টাকাটাও ফেরত দিচ্ছেনা।
ফারুক হোসেনের মামা আইয়ুব হোসেন জানান, আমি ফারুক কে অনেক বলেছি,তার এই প্রতারনার জন্য বদনাম হচ্ছে। অভিযুক্ত ফারুক হোসেন চাকুরির দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, হাওলাদ হিসেবে ছয় লাখ টাকা নিয়েছি।কিছুদিনের মধ্যে সেটা ফেরত দিব।জেলা প্রশাসক মো.জহুরুল ইসলাম জানান,এটা অসম্ভব সে এ রকম কাজ করেছে বলে মনে হয়না।হাওলাদের অঙ্গীকার নামাপত্র লিখিত দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার দায় দায়িত্ব সে নিজে নিবে।
এমএসএম / এমএসএম
টাঙ্গাইলে সরকারী ও বেসরকারি সংস্থার মধ্যে রেফারেল পদ্ধতি প্রতিষ্ঠায় ব্লাস্টের নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত
জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী মোঃ হাসিবুল হাছানের পাশে দাড়ালেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা
বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতালের সামনে অগ্নিকান্ড এ্যাম্বুলেন্সসহ ৮ টি মটরসাইকেল পুড়ে ভস্মিভুত
রায়গঞ্জে রাস্তায় সন্তান প্রসব, দুই মিডওয়াইফকে শোকজের পর তদন্তে স্বাস্থ্য বিভাগ
রাতে ঘুম নেই, দিনে কাজ নেই—ফ্রিল্যান্সিং থেকে খামার, সর্বত্র বিপর্যয়
নেত্রকোণা মদনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ প্রস্ততিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
বাহেরচর ক্ষুদ্রকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন কমিটি গঠন
ধুনটে দুই প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস, ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল
বোদায় ১৬ শিক্ষক কর্মচারীর মাদ্রাসায় ৭ পরীক্ষার্থী, পাশ করেছে ১জন
২য় বাংলাদেশ রেমিট্যান্টস’ রিকগনিশন ২০২৬’ অনুষ্ঠানে সম্মাননা পেয়েছেন দাউদকান্দির বাবুল খন্দকার
এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোহাম্মদ সাইয়েদ হোসেন বাবু
পেকুয়ায় উজানটিয়া যুব উন্নয়ন একতা ক্লাবের কমিটি অনুমোদন
রাজারহাটে সরকারি গুদামের বদলে অটো রাইস মিলে ধান সংগ্রহের অভিযোগ
Link Copied