বোয়ালমারীতে পপুলার লাইফের মৃত্যুদাবীর অর্থ প্রদানে টালবাহানার অভিযোগ
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্সের এক গ্রাহককে মৃত্যু দাবির অর্থ প্রদানে টালবাহানা ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোছাঃ ছালেহা বেগম এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ছালেহা বেগম বোয়ালমারী পৌরসভাধীন সোতাসী গ্রামের মোঃকাইয়ুম মিয়ার স্ত্রী বলে জানাগেছে।
লিখিত অভিযোগে ছালেহা বেগম জানান, পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিঃ বোয়ালমারী শাখার ম্যানেজার মোঃ আতিকুল ইসলাম মিন্টু ও তার সহকারী মোঃ কামাল হোসেন এর প্ররোচনায় আমার মৃত মেয়ে কুলসুম আক্তার (মৃত্যু কালীন বয়স ২০) ২০১৭ সালে অত্র শাখায় ১২ বছর মেয়াদী একটি একক বীমা পলিসি গ্রহণ করেন। মাসিক ১ হাজার ৩৬ টাকা কিস্তিতে মোট ১ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকার এই বীমার বিপরীতে আমার মেয়ে ২৪ কিস্তিতে ২৪ হাজার ৮ শত ৬৪ টাকা পরিশোধের পর ২০১৯ সালে নিউমোনিয়া রোগে আকস্মিক ভাবে মারা যায়।মেয়ের মৃত্যুর পর বীমা বিধি অনুযায়ী নমিনি হিসাবে আমি কোম্পানির বোয়ালমারী শাখা মেয়ের মৃত্যু দাবীর ৩ লক্ষ টাকা দাবী করি। এর পরই শাখা ব্যবস্থাপক আতিকুল ইসলাম মিন্টু নানা টালবাহানা শুরু করেন। তিনি আজ না কাল,এই মাস না সেই মাস করে আমাকে ঘোরাতে থাকেন। এভাবে ঘুরতে-ঘুরতে দীর্ঘ প্রায় ৪ বছর অতিক্রান্ত হতে চললেও আমি আমার মেয়ের মৃত্যু দাবীর অর্থ ফেরত পাইনি। এমনকি মৃত্যু দাবীর মোটা অংকের টাকা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ঢাকায় যোগাযোগের নামে ম্যানেজার মিন্টু কয়েক দফায় আমার কাছ থেকে আরো ১০/১২ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।শুধু তাই নয়,আমার মেয়ের মৃত্যুর পরও মিন্টু আমাকে ভুল বুঝিয়ে বেআইনি ভাবে বীমার আরো দুটি কিস্তির টাকা আদায় করেন।কিন্তু তারপরও কোন সমাধান না পেয়ে আমি এখন চরম ভাবে হতাশ হয়ে পড়েছি। বর্তমানে টাকার ব্যাপারে একটু খোঁজ-খবর নিতে গেলেও ম্যানেজার মিন্টু চরম দূর্ব্যাবহার করে অফিস থেকে তাড়িয়ে দেন। আমি গরিব মানুষ। বিবাদীদের প্রলোভনের ফাঁদে পড়ে স্বামী পরিত্যাক্তা মেয়েটির নামে বীমা খুলে ছিলাম। কিন্তু ম্যানেজার আতিকুল ইসলাম মিন্টুর প্রতারণা-জালিয়াতি আর অসদাচরণে আমার সব সপ্ন মাটি হয়ে গেছে। কষ্টে জমানো মূল টাকাটাও এখন ফেরত পাচ্ছিনা। ফলে আমার মেয়ের রেখে যাওয়া ৪ বছরের শিশু কন্যা সন্তানটিকে নিয়ে আমি এখন মানবেতর জীবনযাপন করছি। এ অবস্থায় বীমার শর্ত মোতাবেক আমার মেয়ের মৃত্যু দাবীর অর্থগুলো আমাকে ফেরত দেওয়া হলে ভিষণ উপকৃত হতাম। জানতে চাইলে পপুলার লাইফের বোয়ালমারী শাখার ম্যানেজার আতিকুল ইসলাম মিন্টু বলেন,নিয়মিত প্রিমিয়াম পরিশোধ না করায় সালেহা বেগমের মেয়ে কুলসুমের বীমাটি তামাদি হয়ে যায়। এর কয়েকমাস পর গ্রাহক মারা যান। ফলে আমরা ছালেহার আবেদন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পাঠালেও কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেননি। তবে জমা হওয়া মূল টাকাটা তিনি ফেরত পাবেন। বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোশারেফ হুসাইন বলেন, সালেহা বেগমের একটি দরখাস্ত আমি পেয়েছি। শুনানির জন্য উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়েছি। শুনানি শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমএসএম / এমএসএম
এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের নির্দেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে উপজেলা বিএনপি
দর্শনা পৌর নির্বাচন: মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থীরা
মান্দায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ
চন্দনাইশে বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ জামায়াতের
মাদারীপুর সদর থানা থেকে নারী আসামি পালানোর অভিযোগ, ধামাচাপার চেষ্টা
বাঁশখালীতে পায়ে হেঁটে কোমর পরিমাণ পানি পেরিয়ে বন্যার্তদের পাশে ড.শফিকুর রহমান
পূর্ব শত্রুতা ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে নুরুল আজিম (৪০) নামে এক দর্জিকে কুপিয়ে হত্যা
তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলেও ব্যবস্থা নিতে গড়িমসির অভিযোগ
শিগগিরই খুলে দেয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর- কুমিল্লায় সংস্কৃতি মন্ত্রী
গজারিয়ায় যাত্রা শুরু করল প্রকৃতি ও স্বাদের অনন্য ঠিকানা 'ন্যাচার লাউঞ্জ'
বাউফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে যাত্রীবাহী বাস, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
মাত্র ২ হাজার টাকায় শুরু: শত নারীকে স্বাবলম্বী করে অনন্য দৃষ্টান্ত গড়লেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পপি