ঢাকা বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

ফেনী নদী ইজারা বন্ধ হওয়ায় নদী পাড়ের মানুষের মাঝে বইছে স্বস্তির বাতাস।


মিরসরাই প্রতিনিধি  photo মিরসরাই প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৩-৫-২০২৫ দুপুর ৩:৫

চট্টগ্রাম বিভাগে ফেনী নদী দুটি জেলাকে বিভক্ত করেছে । ১৫৩ কিলোমিটারের এ নদীটি  ৫২৯ ফুট  গড প্রস্থের এই নদীটি উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ি জেলা । সীমান্ত ঘেঁষা এই নদীটি ভারতের ত্রিপুরা অংশ জুড়ে ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলার মাঝ দিয়েচে  সন্দীপ চ্যানেলের বঙ্গোপসাগরে মোহনায় গিয়ে মিলেছে।  অবৈধ ভাবে চর কেটে বালু উত্তোলনের ফলে ফেনী নদীর তীরে উর্বর   তিন ফসলের জমি হারাচ্ছে  প্রতিনিয়ত।

 বাংলা ১৪৩২ বঙ্গাব্দে ফেনী নদী ইজারা না দেয়ায় স্বস্তির বাতাস বইছে নদী পাড়ে বাসিন্দাদের মাঝে।  ইতিপূর্বে ১৪৩১ বঙ্গাব্দে চট্টগ্রাম অংশে লিজা ও বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ কে ইজারা দেয়া হয়। ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে তারা প্রতিনিয়ত চর কেটে নিয়ে যাওয়ায় তিন ফসলি জমি সহ মানুষের বসদ ভিটা হারিয়েছে অনেকে। এ নিয়ে স্থানীয় ও বিভিন্ন জাতীয়  গণমাধ্যমে একাধিক  সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। ফলে ১৪৩২ সালে চট্টগ্রাম জেলায় প্রাথমিকভাবে ইজারা বন্ধ রেখেছে।

ফেনী নদীতে ১৯৮৬ সালে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্পের আওতায় একটি সুইজগেট নির্মাণ করা হয়। 
এতে সরাসরি ২০ হাজার ১৯৪ হেক্টর জমি আমন ধানের চাষের আওতায় আসে। পরোক্ষভাবে ২৭১২৫ সেক্টর জমি সেচের আওতায় আসে।  

কিন্তু বিগত দুই যুগ ফেনী নদীতে স্যালো মেশিন ও ভোট কাটার মাধ্যমে নদীতে বালু উত্তোলনের ফলে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ফসলে জমি। যা একদিকে নদীর পরিবর্তনের পাশাপাশি ফসল উৎপাদনে ব্যাহত করছে।  এতে ফসল উৎপাদন  কমার পাশাপাশি জায়গার পরিমাণ প্রতিনিয়ত কমছে।  

পশ্চিম জোয়ারের বাসিন্দা জানান, নদীর ইজারা বন্ধ হওয়ায় আমরা খুশি কেননা ইতিপূর্বে ফেনী নদীর এমন ভাঙ্গন আমরা দেখি নাই। নদী চর কেটে কোথাও কোথাও সাগরের মত করে ফেলেছে। ৭০ থেকে ৮০ ফুট গভীরে এসব কাটারের ফাইভ লাগিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। 

অলিনগরের বাসিন্দা হেদায়েত উল্ল্যাহ বলেন,  আমরা ছোট বেলায় এ নদীতে কত মাছ ধরেছি কত খেলেছি এখন নদীর এত তীব্র ভাঙ্গন আগে কখনো দেখি নাই। কেনো জানি মনে হচ্ছে অলিনগর একসময় পানিতে তলিয়ে যাবে। আমরা চাই যেনো সরকার এ নদী স্থায়ী ভাবে ইজারা বন্ধ করে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, প্রশাসন আসার খবর পেলেই তারা বালির কাটার সরিয়ে নেয়। আবার প্রশাসন চলে গেলে তারা আবার নদীর কিনারে এসব কাটার লাগিয়ে চর কেটে নেয় দূর্বৃত্তরা । আমরা চাই নদী থেকে স্থায়ী ভাবে এ বালুর কাটার গুলো সরিয়ে দিবে প্রশাসন।  চোর পুলিশের এ খেলা থেকে আমরা মুক্তি পাবো বলে আশাবাদী কেননা এ নদী এবার ইজারা হচ্ছে না বলে আমরা জেনেছি। 

ইজারার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন বলেন, ফেনী নদী ১৪৩২ বাংলা সনে এ বছর ইজারা  হয় নাই। 

এমএসএম / এমএসএম

মরণফাঁদে পরিণত পাঁচুড়িয়া খাল: দেখার কি কেউ নেই..?

বাগেরহাট শহরে জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে মানুষ কৃষকদের বোরো ধানের ক্ষতির আশংকা

লাকসামে পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত

টুঙ্গিপাড়ায় ভেজালমুক্ত খাদ্যের দাবিতে র‍্যালি-মানববন্ধন

নওগাঁয় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশী অস্ত্রসহ সাত সদস্য গ্রেপ্তার

ঝড়ে লণ্ডভণ্ড কুমিল্লার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ট্রান্সফরমার-মিটার ব্যাপক ক্ষতি, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো গ্রাহক

কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার

গোদাগাড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

গোবিপ্রবিতে ৯ বিভাগে কেমিক্যাল সরবরাহ, মেডিকেল সেন্টারে নতুন সরঞ্জাম সংযোজন

ভূরুঙ্গামারীতে তিনটি ইউনিয়নে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে

গোবিপ্রবির দুই প্রকল্প এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত

‎লালপুর গ্রামের রাস্তায় জলবদ্ধতা নিরসনে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী

উন্নয়নের নামে আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন করা হচ্ছে: আলমগীর ফরিদ এমপি