বেনাপোল-খুলনা বেতনা ট্রেন বেসরকারি খাতে লিজ
লাভজনক হওয়া সত্ত্বেও বেনাপোল-খুলনা রুটে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চলাচলকারী কমিউটার (বেতনা) ট্রেন বেসরকারি খাতে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে চালু করা হয় বেনাপোল কমিউটার (বেতনা) ট্রেন। বেনাপোল-খুলনা-মোংলা থেকে যশোর রুটে চলাচল করে ট্রেনটি। বর্তমানে গড়ে প্রতি মাসে এই ট্রেন থেকে ৩৫ লাখ টাকা আয় করছে রেলওয়ে। তাহলে কেন বেসরকারি খাতে দেয়া হচ্ছে। প্রশ্ন এলাকাবাসী সহ এই লাইনে চলাচলকারী যাত্রীদের।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান আয় থেকে আরও বেশি আয় পাওয়া যাবে অজুহাতে ট্রেনটি বেসরকারি খাতে লিজ দিতে উঠেপড়ে লেগেছেন রেলওয়ের কিছু কর্মকর্তা। বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন ঊর্ধ্বতন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কমিউটার ট্রেনটি লিজ নেওয়ার জন্য মহাপরিচালকের দপ্তরে দেনদরবার করছেন বলে ওই সূত্রটি জানায়। তাছাড়া বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দিলে যাত্রীসেবার মান নিম্নমুখি সহ চোরাকারবারীদের দখলে চলে যাবে এই ট্রেন।
তবে কারণ হিসেবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, লোকসানের কারণে অনেক সময় বেসরকারি খাতে লিজ দেয়া হয়। কোনো কোম্পানি যদি শেষ ছয় মাসের আয়ের চেয়ে বেশি টাকা দিতে চায়, তাহলে তাদের অনুকূলে লিজ দেয়া যেতে পারে। এতে আয়ের পরিমাণ আরও বাড়বে।
রেলওয়ের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ট্রেনটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দিতে ২২ এপ্রিল দরপত্র আহ্বান করা হয়। ১৯ মে দরপত্র খোলা হয়। জুনের প্রথম সপ্তাহে যাচাই-বাছাই শেষে মূল্যায়ন কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। মূল্যায়ন কমিটির যাচাই-বাছাই শেষে কার্যাদেশ দেয়া হবে। তিন বছরের জন্য লিজ দেয়া হচ্ছে ট্রেনটি। এইচঅ্যান্ডএম কোম্পানি নামে একটি প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পেয়েছে বলে রেলওয়ের একটি সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানান, বেতনা ট্রেনটি প্রতিদিন সকাল ৬টায় খুলনা থেকে যাত্রী নিয়ে বেনাপোলের উদ্দেশে রওনা হয়ে দৌলতপুর, নওয়াপাড়া, সিঙ্গিয়া, যশোর, ঝিকরগাছা, নাভারণ স্টেশন পার হয়ে সাড়ে ৮টায় বেনাপোল পৌঁছায়। এসব স্টেশন থেকে ওঠা বেশির ভাগ যাত্রী সরকারি অফিস ও ভারতে যাতাযাত করে। বেনাপোল স্টেশন থেকে আবার ৯টা ১৫ মিনিটে ত্যাগ করে বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে মোহাম্মদনগর পৌঁছায় ট্রেনটি। আবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে মোংলা পৌঁছায়। মোংলা স্টেশন থেকে ছাড়ে দুপুর ১টায়। বেনাপোলে পৌঁছায় বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে। বিকাল ৫টায় খুলনার উদ্দেশে বেনাপোল স্টেশন ত্যাগ করে কমিউটার বেতনা ট্রেনটি। বর্তমানে ট্রেনটিতে যাত্রীও সংখ্যা বাড়ছে এবং নতুন বগীরও চাহিদা রয়েছে।
কার্যাদেশ পাওয়া এইচঅ্যান্ডএম কোম্পানির মালিক হুমায়ন আহমেদ বলেন, আমরা কাজ পেয়েছি। জুলাইয়ের প্রথমার্ধে আমাদের দায়িত্বে এ রুটে ট্রেন চলার কথা ছিল। তবে বাজেটসহ অন্যান্য কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। এ মাসের মধ্যে না হলেও আগামী মাসের প্রথম দিকে আমাদের দায়িত্বে এ রুটে ট্রেন চলাচল করবে।
এ বিষয়ে বেনাপোল রেলস্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান বলেন, ট্রেনটি(বেতনা) লিজ দেওয়া হবে লোক মুখে শুনছি তবে লিজ দেয়া হয়েছে কিনা আমি জানি না। এ-সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র আমি পাইনি।
এ বিষয়ে রাজশাহী রেলওয়ে ভবনের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার সুজিত কুমার বিশ্বাস, বেনাপোল-খুলনা-মোংলা রুটের কমিউটার ট্রেনটি বেসরকারি খাতে দেয়ার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। দরপত্রগুলো যাচাই-বাছাই করে মূল্যায়ন শাখায় পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রশাসনিক শাখায় এখনো আসেনি। এরপর কাগজপত্র ঢাকায় পাঠানো হবে। সেখান থেকে সর্বোচ্চ দরপত্রদাতাকে কাজ দেয়া হবে।
এমএসএম / এমএসএম
কুমিল্লায় শতাধিক সংবাদকর্মীদের নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি ভারতীয় ইলিশের চালান জব্দ
জয়পুরহাটে শীতার্ত শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রশিবির: শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
জলমহালে অংশীদারিত্ব নিয়ে প্রতারণা, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়রী
শেরপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদকে দল থেকে বহিষ্কার
শিশু বরণ থেকে স্মার্ট ক্লাসরুম, জামালগঞ্জ বিদ্যালয়ে শিক্ষার নতুন ভোর
শিবচর পুলিশের অভিযানে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে লুট হওয়া ৪৬২ গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার
চাঁদপুরে পিকআপ ভ্যান-অটোরিকশা সংঘর্ষে যুবক নিহত
জেসমিন আরা শরীয়তপুর জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গার্ল গাইড শিক্ষক নির্বাচিত
ভোলাহাটে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার
কুড়িগ্রামে প্রবেশন কার্যক্রম আধুনিকায়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত