ঢাকা শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

নিয়ামতপুরে বিধিনিষেধের তোয়াক্কা করছেন না কেউ


নিয়ামতপুর প্রতিনিধি  photo নিয়ামতপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩-৬-২০২১ বিকাল ৫:৫৮
করোনা ভাইসার সংক্রমণ হার বৃদ্ধি পাওয়ায় নওগাঁর নিয়ামতপুরে ৩ থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত  দু‍ই দফায় দোকানপাট, যানবাহন ও জনচলাচলের ওপর ১৩ শর্তবিশিষ্ট বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলবে ১৬ জুন পর্যন্ত।
 
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিয়ামতপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে ,প্রথম দফার বিশেষ লকডাউন প্রশসানের কড়াকড়ির জন্য অনেকটাই সাধারণ মানুষ মেনে চলেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় বিধিনিষেধ কিছু শিথিল করায় সাধারণ মানুষ ওই বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করেই স্বাভাবিক দিনের মতোই চলাফেরা করছে। খাবার হোটেল ছাড়া চলছে সবই। বিধিনিষেধ অনুযায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, কাঁচাবাজার, মৌসুমি ফলের দোকান ও ফার্মেসি ব্যতীত অন্যান্য দোকানপাট ও ফুটপাতের দোকান বন্ধ থাকার কথা থাকলেও কোনো দোকান বন্ধ নেই। এমনকি ফুটপাতের অনেক দোকানও খোলা রয়েছে। অলিগলির চায়ের দোকানেও চলছে জমজমাট আড্ডা।
 
১০ জুন বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উপজেলার হিন্দুপাড়ার মোড়, বোর্ডিং মার্কেট, চৌধুরী কমপ্লেক্স, জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম মার্কেট, উপজেলা পরিষদ মার্কেটসহ উপজেলা সদরের বাইরের সব মার্কেট এমনটি সাপ্তাহিক হাটগুলোতেও সাধারণ মানুষের ভিড় চোখে পড়ার মতো। সব জায়গায় খুলেছে দোকানও। প্রশাসনেরও তেমন নজরদারি নেই। দ্বিতীয় দফার লকডাউনে কোথাও পুলিশের পাহারা নেই।  ভ্যান, ইজিবাইকসহ ছোট ছোট যানবাহনের কারণে এ সময় উপজেলা সদরের কোথাও কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়।
 
নতুন করে বিধিনিষেধ কে‍উ না মানায় এবং দোকানপাট সব খোলা দেখে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আসলে বিধিনিষেধ আছে কিনা- এ নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন তারা। অনেকে বলছেন, এলাকার মানুষ অপ্রয়োজনে সবাই বিনা বাধায় বের হচ্ছেন। বিধিনিষেধ আছে কি-না বোঝাই যাচ্ছে না। সাপ্তাহিক হাটগুলোতে বেশিরভাগ মানুষের মুখে নেই কোনো মাস্ক।
 
নিয়ামতপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এই জনসমাগমের কারণে করোনা ঝুঁকি আরো বাড়তে পারে। বিধিনিষেধে রয়েছে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সকল প্রকার বাস সার্ভিস বন্ধ থাকবে। সকল হাট বাজার বন্ধ থাকার কথা থাকলেও কোথাও বন্ধ নেই। এনজিও কার্যক্রম বন্ধ থাকার কথা থাকলেও এনজিওগুলো তাদের নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। 
 
নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, বিধিনিষেধ যারা মানছেন না তাদের প্রতি প্রশাসনের কঠোর হওয়া প্রয়োজন। নিয়ামতপুর উপজেলার মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে দিন দিন করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এখনো যদি নিয়ম না মানে তাহলে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হবে, এটা সবার বোঝা উচিত। আসুন আমরা সবাই নিজে বাঁচি, অন্যকে বাঁচাই, দেশকে বাঁচাই। করোনা মহামারী প্রতিরোধে ঘরে থাকার এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রণীত বিধি মেনে চলার আহ্বান জানান এই কর্মকর্তা। 
 
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১ হাজার ৫৬৮ জনের। এর মধ্যে করোনা পজেটিভ ২৭২ জনের। রিপোর্ট আসেনি ৬৭ জনের। নমুনা সংগ্রহনের অনুপাতে সংক্রমণের হার ১৮.১২ শতাংশ। গত ৩ জুন থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত ১২ দিনে নমুনা সংগ্রহ ৪শ ৩৫ জনের, করোনা সংক্রমন ৮১ জনের, রিপোর্ট আসেনি ৬৭ জনের। নমুনা সংগ্রহের অনুপাতে সংক্রমনের হার ২১.৫৩ শতাংশ। বর্তমানে উপজেলায় করোনা পজেটিভ রোগীর সংখ্যা ৮১ জন। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ১০ জন।  করোনা সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন ২ জন। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন ৪ জন।

এমএসএম / জামান

অবশেষে সন্তানকে খুঁজে পেলেন আলেয়া বেওয়া

গ্রামীণ ঐতিহ্য পলো দিয়ে মাছ শিকার এখন শুধুই স্মৃতি

এই পোশাকে পুলিশ বাহিনী সন্তুষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাউফলে জাতীয় পতাকা হাতে জামায়াতের ‘আগ্রাসী’ মিছিল: উত্তপ্ত বাউফল

কেশবপুরের এমপি অধ্যাপক মোক্তার আলীকে সামাজিক সংবর্ধনা

আশুলিয়ায় মান‌বিক ডাক্তা‌রের গাড়ি পোড়া‌লো আ.লীগ নেতা

গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড মিটার বাতিল ও প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

চার দিনের সরকারি সফরে নিজ জেলা পাবনায় পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

১২টি গ্রামের হাজার হাজার জনগনের দুর্ভোগ চরমে

অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসব

ঢাকা ফেরা মানুষের ভিড় মহাখালীতে

পকেট ভারী না করলে ভবদহের সমস্যার সমাধান এতদিনে হয়ে যেতঃ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

তানোরের প্রতিটি আম গাছে আমে ভরপুর