ঢাকা বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

বাজারে নেই সরকারি প্রতিষ্ঠানের হ্যান্ড স্যানিটাইজার


শেরপুর প্রতিনিধি   photo শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪-৬-২০২১ বিকাল ৬:১০

দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর দুটি জিনিস মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে জরুরি হয়ে পড়েছে যার একটি  মাস্ক ও অপরটি স্যানিটাইজার, যেগুলো ছাড়া এখন এক মুহূর্ত চলছে না কারো। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনাকে রুখতে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের এই মুহূর্তে কোনো বিকল্প নেই। আর সেই অতিপ্রয়োজনীয় দ্রব্যটি নিয়েই চলছে রীতিমতো কালোবাজারি। শুধু তাই নয়, দেশের প্রতিটি শহরে রমরমা চলছে নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবসা। অথচ অজ্ঞাত কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানের হ্যান্ড সেনিটাইজার বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না।

বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে বাজারে চাহিদার সঙ্গে কয়েকগুণ বাড়ে জীবাণুনাশক হ্যান্ড স্যানিটাইজারের দাম। সুযোগ বুঝে অসাধু ব্যবসায়ীরা তৎপর হয় ভেজাল স্যানিটাইজার তৈরিতেও। এমন পরিস্থিতিতে নিজস্ব কাঁচামাল স্পিরিট ও অন্যান্য উপাদান ব্যবহার করে স্যানিটাইজার উৎপাদন শুরু করে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানি। কিন্তু দোকানে পাওয়া যায় না তাদের উৎপাদিত স্যানিটাইজার। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে স্যানিটাইজারের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। সরবরাহ না থাকায় হাতের নাগলে যা পাচ্ছেন তাই কিনছেন। যদিও ক্রেতাদের কাছে সহজলভ্য করার কোনো উদ্যোগও নেই।

কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশের) ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সাঈদ বলেন, বাজারে অন্যান্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানের স্যানিটাইজারের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় কেরুর স্যানিটাইজারের চাহিদা কমতে শুরু করে। তার মতে, আমরা প্রতিদিন উৎপাদন করি না। মনে করেন, দুদিন করলাম আবার তিন দিন বন্ধ রাখলাম এ রকম। আমাদের সব উপকরণ রেডি থাকে। আমরা বেশি মজুদ করতে চাচ্ছি না। বেসরকারি ও সরকারি ডিস্ট্রিবিশন চ্যানেলের মধ্যে পার্থক্য আছে। গত জুনে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি এক লাখ বোতল স্যানিটাইজার উৎপাদন করে, যার মধ্যে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত (৯ মাসে) মাত্র ৪০ হাজার বোতল বিক্রি হয়েছে। বিক্রি না হওয়ার কারণে বিপণন ব্যবস্থাকে দায়ী করেন আবু সাঈদ। তিনি বলেন, যথাযথ মার্কেটিংয়ের অভাব  এবং চাহিদা কমে যাওয়ায় স্যানিটাইজারের বিক্রি কমে গেছে।

করোনাকালে স্যানিটাইজারের বাজার সম্প্রসারণে কেরুর এ উদাসীনতায় অবাক দেশের ব্যবসায়ী এবং সচেতন  মহল। তাদের মতে, গত এক বছরে এই স্যানিটাইজার উৎপাদনের যে সুযোগ ও সম্ভাবনা নষ্ট করেছেন এখন তাদের সেটি পুষিয়ে নিতে হবে। এ কারণে তাদের উৎপাদন ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করতে হবে, যেহেতু এটি একটি নিশ্চিত বাজার। এখানে বাংলাদেশের অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি এবং অনেকে আমদানি করে স্যানিটাইজারের চাহিদা মোকাবেলা করছে।

স্যানিটাইজার তৈরির মূল উপাদান স্পিরিট বিক্রির লাইসেন্স রয়েছে কেরুর। স্পিরিটের সঙ্গে ডিস্টিল্ড ওয়াটার, রং ও সুগন্ধি মিশিয়ে স্যানিটাইজার তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি। দেশের ১৩টি গুদাম ও তিনটি আউটলেট থেকে এসব স্যানিটাইজার বিক্রি করে কেরু। সম্প্রতি দেশে করোনা ভাইরাসের ব্যাপকতা শুরু হওয়ার পর থেকে আবারো বেড়েছে স্যানিটাইজারের চাহিদা। তবে স্যানিটাইজার বিক্রির জন্য ক্রেতা খুঁজে পাচ্ছে না কেরু অ্যান্ড কোম্পানি।

এমএসএম / জামান

রেলওয়ে সমবায় ঋণদান সমিতির নির্বাচন বাতিল

বিএসসিতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, ইউসুফ-জিয়াসহ ৪ জনকে মন্ত্রণালয়ের শুনানিতে তলব

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

জনগনের উপরে যারা ক্ষমতা দেখান তারা জনগনের শত্রু, দেশের শত্রু, সরকারের শত্রু : জহির উদ্দিন স্বপন

বারহাট্টায় মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

কুমিল্লায় প্রায় ৫২ কোটি টাকার উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি

মানিকগঞ্জে সোহান হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদণ্ড

ধামরাইয়ে পানিতে ডুবে ৭বছরের শিশুর মৃত্যু

লামায় জেলা পরিষদ কর্তৃক কৃষকদের মাঝে ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ

উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে শ্যামনগরে ১০ লাখ বীজ রোপণ উদ্যোগ

কৃষিপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: কৃষি মন্ত্রী

চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য মিটিং অনুষ্ঠিত

আত্রাইয়ে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত