নিয়ামতপুরে তৃতীয়বারের মতো বিশেষ বিধিনিষেধ
নওগাঁর নিয়ামতপুরে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৬ জনে। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন চারজন। নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়ে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের নিমদীঘি গ্রামের জমির উদ্দিনের ছেলে মনসুর আলী (৭০) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
উপজেলায় ৭ দিনের বিশেষ লকডাউন এবং দ্বিতীয় মেয়াদে আরো ৭ দিনের বিশেষ বিধিনিষেধ শেষে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি রোধে বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত তৃতীয়বারের মতো বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বুধবার (১৬ জুন) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক হারুন অর রশিদ এ ঘোষণা দেন।
সম্প্রতি উদ্বেগজনক হারে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় নওগাঁর নিয়ামতপুরে গত ৩ জুন থেকে ৭ দিনের সর্বাত্মক বিশেষ লকডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল স্থানীয় প্রশাসন। ১০ জুন থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় বিশেষ বিধিনিষিধ আরোপ করেছিল উপজেলা প্রশাসন। দ্বিতীয় দফায় বিশেষ বিধিনিষেধের শেষ দিনে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়া মারীয়া পেরেরা বলেন, করোনা সংক্রমণ উর্ধ্বমুখী হওয়ায় আগামীকাল ১৭ জুন থেকে আগামী ২৩ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত পূর্বের সকল শর্তাবলী দিয়ে বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দোকান, মার্কেট সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে। মাস্ক পরিধান কিংবা স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ব্যত্যয় হলে উক্ত দোকান বা মার্কেট তাৎক্ষণিক বন্ধ করে দেয়া হবে। সকল প্রকার দায়ের দোকান বন্ধ থাকবে। হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকবে, তবে মিষ্টির দোকানে পার্সেল আকারে বিক্রি করা যাবে। সব ধরনের সাপ্তাহিক হাট বন্ধ থাকবে, তবে কাঁচাবাজার স্বাস্থ্যবিধি মেনে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বেচা-কেনা করতে পারবে। অতিজরুরি প্রয়োজন ছাড়া সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাড়ির বাইরে আসা যাবে না। সব ধরনের বাস সার্ভিস বন্ধ থাকবে, তবে সিএনজি ও অটোসমূহ শুধুমাত্র দুজন যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে পারবে। এনজিও কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে। জনসমাগম হয় এমন কোনো অনুষ্ঠান যেমন রাজনৈতিক ও ধর্মীয অনুষ্ঠান, বিবাহ অনুষ্ঠান, জন্মদিন ও পিকনিক করা যাবে না। মাস্ক পরিধান কিংবা স্বাস্থ্যবিধি পালনে ব্যত্যয় ব্যক্তিকে রাস্তায় পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমার নামাজসহ প্রতি ওয়াক্তের নামাজে সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করতে পারবেন। কোনো বাড়িতে কোভিড আক্রান্ত রোগী থাকলে উক্ত বাড়ি পুরোপুরি লকডাউন করতে হবে এবং ওই বাড়ির সকল সদস্য লকডাউনে থাকবেন। সেক্ষেত্রে এ ধরনের বাড়ি লাল পতাকা দ্বারা চিহ্নিত করতে হবে। একই পাড়া/মহল্লায় একাধিক বাড়িতে সংক্রমন চিহ্নিত হলে উক্ত পাড়া/মহল্লা লকডাউন থাকবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ হয় ১ হাজার ৬৫০ জনের, করোনা শনাক্ত ৩১৫ জনের, সুস্থ হয়েছেন ২৮৯ জন, রিপোর্ট আসেনি ৭৯ জনের। নমুনা অনুপাতে এ পর্যন্ত করোনা সংক্রমণের হার ২০ দশমিক ০৫ শতাংশ। বিশেষ লকডাউন ৪ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ ৫৪৭ জনের, করোনা শনাক্ত ১১৯ জনের, বিপোর্ট আসেনি ৬৬ জনের। কোনো রোগী সুস্থ হয়নি। বর্তমানে উপজেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা ১৩৮ জন। নমুনা সংগ্রহ অনুপাতে সংক্রমণের হার ২২ শতাংশ।
এমএসএম / জামান
অবশেষে সন্তানকে খুঁজে পেলেন আলেয়া বেওয়া
গ্রামীণ ঐতিহ্য পলো দিয়ে মাছ শিকার এখন শুধুই স্মৃতি
এই পোশাকে পুলিশ বাহিনী সন্তুষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাউফলে জাতীয় পতাকা হাতে জামায়াতের ‘আগ্রাসী’ মিছিল: উত্তপ্ত বাউফল
কেশবপুরের এমপি অধ্যাপক মোক্তার আলীকে সামাজিক সংবর্ধনা
আশুলিয়ায় মানবিক ডাক্তারের গাড়ি পোড়ালো আ.লীগ নেতা
গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড মিটার বাতিল ও প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
চার দিনের সরকারি সফরে নিজ জেলা পাবনায় পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি
১২টি গ্রামের হাজার হাজার জনগনের দুর্ভোগ চরমে
অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসব
ঢাকা ফেরা মানুষের ভিড় মহাখালীতে
পকেট ভারী না করলে ভবদহের সমস্যার সমাধান এতদিনে হয়ে যেতঃ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
তানোরের প্রতিটি আম গাছে আমে ভরপুর
Link Copied