সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অতীত বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সংযুক্ত করে : হিমেল
দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের কেউই তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাথে সংযোগ অনুভব করে না। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই জানে না সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কী এবং এর সাথে আমাদের সম্পর্কইবা কী? কেউ কেউ মনে করতে পারে ঐতিহ্যগুলি প্রাচীন এবং এগুলো প্রাসঙ্গিক নয়, এই আধুনিক সময়ে সেগুলো অপ্রয়োজনীয়। এবার জানা যাক, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কী?
ইউনেস্কো এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মধ্যে রয়েছে প্রত্নবস্তু স্মৃতিস্তম্ভ, বিল্ডিং এবং সাইটগুলির একটি গ্রুপ, জাদুঘর যেখানে প্রতীকী,ঐতিহাসিক, শৈল্পিক, নান্দনিক, নৃতাত্বিক, বৈজ্ঞানিক এবং সামাজিক তাৎপর্য সহ মূল্যবোধের বৈচিত্র্য রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাস্তব ঐতিহ্য (চলমান, অচল এবং পানির নিচে), স্পর্শনাতীত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। সাংস্কৃতিক এবং প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের প্রত্নবস্তু, সাইট বা স্মৃতিস্তম্ভের মধ্যে অনুবিদ্ধ করা। সংজ্ঞাটি অন্যান্য সাংস্কৃতিক ডোমেইন যেমন উৎসব, উদযাপন ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত এটি শিল্প ঐতিহ্য এবং গুহাচিত্রকে কভার করে।
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য একটি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে সাহায্য করে এবং জাতীয়তা বোধ জাগ্রত করে তাদের অতীত পূর্বপুরুষের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস আরো ভালো করে বুঝতে সাহায্য করে।
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য জীবন অনুপ্রেরণার একটি অনন্য এবং অপরিবর্তনীয় উৎস ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের উৎস। এটি প্রভাবিত করে আমাদের পরিচয়, অনুভূতি, জ্ঞান বিশ্বাস, আবেগ এবং আচরণকে। এটি মানুষকে প্রযুক্তি, সৃজনশীলতা এবং তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশকে ত্বরান্বিত করে। এটি একটি গোষ্ঠীর মধ্যে ঐক্য এবং আমাদের পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্য ও বিশ্বাস অনুশীলনের শিক্ষা দেয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তাদের শিকড় নিয়ে গর্বিত হতে শেখায় এটি স্মৃতিস্তম্ভ এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা এর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বুঝা আমাদের ব্যক্তিগত পরিচয় সম্পর্কে আরো ভালো ধারণা দিতে পারে। এটি অতীত বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সংযুক্ত করে। এটি আমাদের ইতিহাস, আমাদের পরিচয় এবং অতীতের সাথে আমাদের সম্পর্ক, আমাদের বর্তমান এবং ভবিষ্যতের প্রতিনিধিত্ব করে।
বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে ও আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, আমাদের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র এবং বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে। পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ এবং নতুন করে বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে সাহায্য করে। আগামী প্রজন্মের জন্য বিশ্ব ইতিহাস অক্ষত রাখা আমাদের দায়িত্ব। যাতে তারা অতীত এবং তাদের নিজস্ব শিকড় সম্পর্কে জানতে পারে। এজন্য দরকার ব্যাপক জনসচেতনতা এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা, পাঠ্যক্রমে এ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা, এ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা, তথ্য প্রচার, লাইব্রেরী এবং জাদুঘর গুলির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণ এবং প্রচার করা।
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আমাদের অতীত এবং কিভাবে আমাদের সমাজ বিকশিত হয়েছে তার সূত্র দেয়। এটি আমাদের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য জানতে সাহায্য করে এবং আমাদের নিজেদের সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে সক্ষম করে। একটি শক্তিশালী জাতি ও জাতীয় পরিচয় গড়ে তোলার ভিত্তি হলো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।
এমএসএম / জামান
বাগেরহাটে দাবীকৃত চাঁদা না পাওয়ায় বালু উত্তোলনের পাইপ ভাংচুর
মোরেলগঞ্জে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন
গুরুদাসপুরে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ৯ জন আটক
ত্রিশালে শিক্ষক শূণ্যতায় ব্যাহত প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম
টঙ্গীতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ
সোনারগাঁয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
কাপ্তাই হ্রদের পানিতে তলিয়ে গেছে ঝুলন্ত সেতু, পর্যটকদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
তীব্র যানজটে চার ঘণ্টা আটকে অ্যাম্বুলেন্সে রোগীর মৃত্যু
বাল্কহেডে চাঁদা দাবি, না পেয়ে মারধর, টাকা ও মালামাল লুটের অভিযোগ কথিত নেতা রাসেদের বিরুদ্ধে
শ্বশুরবাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ পরিবারের
মান্দায় বিতর্কিত ইউএনও পদন্নোতিতে সুশীল সমাজের ক্ষোভ:বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি
মনপুরায় হাসপাতালের ময়লা পরিষ্কারে অর্ধশতাধিক যুবদল নেতাকর্মী