ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স
পিএ সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুর্নীতি অত্যাচারের অভিযোগ
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সাবেক ডিরেক্টর ( উন্নয়ন ) লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুলফিকারের পিএ সোহেল রানার বিরুদ্ধে নানা ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ অভিযোগ করেছেন আব্দুল হান্নান নামে এক ফায়ারকর্মী।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, মো. সোহেল রানা মিরপুর স্টাফ কোয়ার্টারের উন্নয়নের নামে বরাদ্দকৃত মোটা অঙ্কের টাকা লুট করেন। একই সাথে নিজের নামে বাসা থাকা সত্ত্বেও ৪ (চার) তলার উপরে অবৈধভাবে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট তৈরি করেন। তিনি সরকারি রাজস্ব ফাকি এবং সরকারি বাসা ভাড়া প্রদান না করার অভিযোগও করেন মো. আব্দুল হান্নান। তিনি বলেন, বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহের গৌরিপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে কাজ করি। কিশোরগঞ্জ ফায়ার স্টেশনে থাকাকালীন আমার নামে বরাদ্দকৃত বাসাটি বাতিল করা হয়। কিশোরগঞ্জ ফায়ার স্টেশন থেকে কল্যাণপুর ফায়ার স্টেশনে সংযুক্ত হওয়ার পর আমাকে আবারও ময়মনসিংহ গৌরিপুর বদলি করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আমাকে ৩ বার বদলি করা হলো। আমার দুই পুত্র বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। তিনি বলেন, ১৪/০৭/২০২২ইং তারিখ থেকে ২৬/০৯/২০২২ইং পর্যন্ত আমি অসুস্থ ছিলাম। সুস্থ হওয়ার পর কর্মস্থলে যোগদান করলেও এখন পর্যন্ত আমার বেতন, রেশন, মেডিকেল ছুটি মঞ্জুর করা হয়নি। এ সব ঘটনার পেছনে পিএ মো. সোহেল রানা জড়িত।
আব্দুল হান্নান বলেন, শুধু আমি না, তার অত্যাচারে অনেকেই স্টাফ কোয়াটারের ছাদে উঠতে পারে না। কাপড় শুকাতে পারে না। বাচ্চারা খেলাধুলা করতে পারে না। তিনি বলেন, আমার বাচ্চাদের খাতনার অনুষ্ঠান করা হয় ছাদে। তখন পিএ মো. সোহেল রানা এবং মঞ্জরুল কাদিরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের ডিডি অনুমতিতে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়। সোহেল যে ফ্ল্যাটে তৈরি করেছেন; সেখানে বাইরের লোকদের আনাগোনা দেখা যায়। আমরা কিছু বলতে গেলে আমাদের বদলি করার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আমার বরাদ্দকৃত বাসাটিতে পরিবারসহ বসবাস করা থাকা সত্ত্বেও তার ক্ষমতার জোরে বাসাটি বাতিল করেন পিএ মো. সোহেল রানা। তার অপকর্মের কথা প্রকাশ করার কারণে একের পর এক আমার উপর অত্যাচার করে যাচ্ছেন তিনি।
মো. আব্দুল হান্নান বলেন, শুধু আমার সঙ্গে নয় তিনি স্টাফ কোয়ার্টারের আরও দুইজনকে বদলি করিয়েছেন। এর আগে সোহেল রানাকে ষ্টাফ ট্রেনিং কমপ্লেক্স মিরপুর থেকে ঢাকা ষ্টাফ কোয়ার্টারে আনা হয়। এখানে আসার পর থেকে তিনি আবারও অত্যাচার শুরু করেন। তার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নকর্মী এরফান আলি, পাম্প অপারেটর কামাল, মিরপুর স্টেশনের লিডার মঞ্জুরুল কাদিরকে দিয়ে বাসায় চুরি করানো হয়। এ ব্যাপারে মিরপুর স্টেশন অফিসার মো. সাহাবুদ্দিন ও উর্ধতনদের জানিয়ে তাদের নামে থানায় জিডি করা হয়। ডিআইডি আবুল বাশারের নেতৃতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে; কিন্তু তদন্তের কোনো ফলাফল আসেনি। এসব ব্যক্তিগত অভিযোগের সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দপ্তরের অর্থ অপচয়ের বিরুদ্ধে পিএ মো. সোহেল রানার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান ফায়ার ফাইটার মো. আব্দুল হান্নান।
এদিকে, এসব বিষয় নিয়ে পিএ মো. সোহেল রানার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। তার সাথে কারো বৈরীতা নেই। তিনি নিয়ম মেনে চাকরি করেন।
এমএসএম / এমএসএম
আওয়ামী সরকারের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরাদের আশীর্বাদ পুষ্ট আলাউদ্দিনকে ফায়ার সার্ভিসে নিয়োগ
পাউবো’র নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদী দখলের চাঞ্চল্যকর তথ্য
উপ-পরিচালক ডা. তউহিদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার ছাড়ালে বছরে তেল বাবদ বেশি খরচ হবে ৬১০০০ কোটি টাকা
রক্তের আল্পনায় ঈদযাত্রা ২০২৬: সড়ক, রেল ও নৌপথে অব্যবস্থাপনার পৈশাচিক উৎসব
রাষ্ট্রীয় অর্থে ‘রাক্ষুসে থাবা’
বিআরটিএর ভাতিজা রফিক এর তোঘলতি বদলি বাণিজ্য
চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম গিলে খাচ্ছে চট্টগ্রামের বনাঞ্চল
তথ্যপ্রাপ্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে তথ্য প্রদানে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন বিপ্লব কুন্ডু
‘ফাঁসির মঞ্চ’ থেকে ফিরে সংসদে যাচ্ছেন যারা
এনবিআর সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের এত সম্পদের উৎস কোথায়
চট্টগ্রামে ফরেস্ট চেক স্টেশন ধুমঘাটে ডেপুটি রেঞ্জার ইলিছুর রহমান এর চাঁদাবাজি